Skip to content

সব টেরনিং কিন্তু ট্রেইনিং নয়

  • by

a. What is training and what is not?

বাংলার আকাশে বাতাসে ১ বছরে যতগুলো ছোট বড় Training program হয়, তার ৯৯.৯% এরই topic হল Communication skill/Leadership skill তারপরও এদেশের ক্রিকেট টীমের ক্যাপ্টেন পাওয়া যায় না। আর কমিউনিকেশনের স্কীলের ঠেলায় কাউকে মেইল করলে পাঁয়ে হেটে বাসায় গিয়ে বলে আসতে হয়, “ভাইয়া, মেইল করেছি। দেইখেন।”

একটা মড়ক শুরু হয়েছে বিগত ৩-৪ বছর ধরে। বাংলাদেশে যে কারনেই হোক, প্রশিক্ষন বিষয়টার বিপুল আলোড়ন শুরু হয়েছে। আলোড়নটি সৃষ্টি হবার বিভিন্নমুখী কারন রয়েছে। তবে বাংলাদেশে যা হয় আরকি? ওই যে, কেউ একজন ফুড বিজনেসে সাফল্য পেয়েছে। ব্যাস, গোটা ঢাকা শহরে শুধু খাবারের দোকান আর দোকান। দেশে আর কোনো ব্যবসা যেন বেঁচে নেই। তেমনি করে, ট্রেইনিং এখন একটি লাভজনক পেশা। প্রতিদিন আমি দাওয়াত পাই অন্তত প্রায় ৫০ টি ট্রেইনিং এর-মেইলে, মেসেঞ্জারে, লিংকডইন মেসেজে, সদস্য আছি-এমন গ্রূপে।

ঢাকা শহরে যাত্রাবাড়ি হতে গাজিপুর চৌরাস্তা, মেরাদিয়া হতে মিরপুর পর্যন্ত রাস্তার, গলির দুপাশে আপনি হাজার হাজার ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট, পলিটেকনিক, সার্টিফিকেশন ইন্সটিটিউট দেখতে পাবেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাদের এইচআর, মার্চেন্ডাইজিং, CAD, প্যাটার্ন, কোয়ালিটি, অফিস ম্যানেজমেন্ট, একসেল, গ্রাফিকস, শেয়ার বিজনেস, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, এয়ার হোস্টেস, বুটিক, ব্লক, পেইন্টিং, IE, ফ্যাশন ডিজাইনিং, প্রিন্টিং, গার্মেন্টস প্রোডাকশনসহ অসংখ্য বিষয়ে ট্রেইনিং দেবার অফার দেবে।

এগুলো এবং এর সাথে সাথে আপনি মেইল, ভাইবার, মেসেজ, টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জার, ফেসবুক, হোয়াটসএ্যাপ, পত্রিকায়, লিংকডইনে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রেইনিং এর বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন। যেখানে সফট ও হার্ড-উভয় রকমের স্কীলে ১-৩ দিনের কোর্স হতে সার্টিফিকেট কোর্স, ডিপ্লোমা, পিজিডি কোর্স থেকে শুরু করে আজকাল মাস্টার্স করারও অফার আসছে। নানা মেয়াদে, নানা খরচে, নানা ঢঙ্গে।

কোনোটাকেই খারাপ বা ভাল বলব না। শুধু আপনাদের বলব, যারা ফ্রেশার, চাকরীরত, চাকরীর বাজারে নিজের যোগ্যতা বাড়াতে চান, আর সেজন্য একটা কোর্স করতে চান। দয়া করে, যেকোনো ট্রেইনিং এ ভর্তি হবার আগে কয়েকটা কাজ করুন:-

১.একজন অভিজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট সিনিয়রের সাথে আলোচনা করুন।

২.প্রতিষ্ঠানের আদ্যোপান্ত ও ট্রেইনিংরত শিক্ষার্থীসহ অতীতে যারা ট্রেইনিং করেছেন ওখান থেকে, পারলে তাদের কাছে খোঁজ নিয়ে নিন।

৩.কোনো সাবজেক্টে যেকোনো কোর্স করার আগে সেটি আপনার জন্য ইফেকটিভ হবে কিনা, তা ক্যারিয়ার কোচদের কাছে যাঁচাই করে নিন।

৪.ফ্রড হতে সাবধান হোন।

এখন হতে প্রায় ৮-৯ বছর আগে।
একজন সোশ্যাল কানেকশন ফোন করলেন।

আমার লেখালিখি নিয়ে কখনো সখনো হালকা কথা আগেও হয়েছে।

তিনি আমাকে তার নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে একটি ক্যারিয়ার সংক্রান্ত লারনিং সেশনে ট্রেনার/স্পিকার হবার জন্য অনুরোধ করলেন। আমি প্রাথমিক তথ্য জেনে রাজি হলাম।

অতঃপর নানামুখী প্রচারনার পরে নির্ধারিত দিনে আমি হাজির হলাম তাদের ভেন্যুতে। নির্ধারিত সময়েরও আধাঘন্টা পরে আমরা ২ জন অতি উৎসাহি পারটিসিপ্যান্ট পেলাম। একেবারে যাকে বলে পর্বতের মুষিক প্রসব।

যাহোক, সেদিন ওনাদেরও প্রথম প্রোগ্রাম। আমারও ট্রেনার হিসেবে আকিকা।

আমি সামান্য দমে গেলেও সেদিন ওই ২ জনকে নিয়েই সেশন করলাম।
কিন্তু, আমার থেকেও বেশি আহত ও তাজ্জব হলেন আয়োজক সংগঠন।

সেশন শেষে তারা আমার সাথে দীর্ঘ আলাপ করলেন। ভাল চাকরি ছেড়ে দিয়ে তারা তিনজন এই বিজনেসে নেমেছেন। অফিস নিয়েছেন। কীভাবে তারা এগোবেন-তা নিয়ে আমার ভাবনাও জানতে চাইলেন।

সেদিন তাদের দুটো কাজে বেশি মনোযোগ দিতে বললাম-১. ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিংকে সবার আগে রাখতে বললাম। ২. সরকারী প্রোজেক্ট ধরতে বললাম।

ওই ভদ্রলোকের সাথে আর কাজ করা হয়নি। তবে, বছরখানিক ভারজিনিটি বজায় রেখে অরগ্যানিক পথে চেষ্টা করে যখন তারা প্রায় ডুবে যাবার অবস্থা, তখন তারা লাইনে আসেন।
কী করে কী করে যেন সরকারী প্রোজেক্ট ধরে ফেললেন। ট্রেনিং প্রোজেক্ট। ট্রেনিং খাতের টাকা খরচের প্রোজেক্ট।

ব্যাস, অতঃপর, তাদের কোনো ট্রেনিং সেন্টার নেই, কোনো ট্রেনার নেই, নিজেরা ট্রেনার না। তারপরও তারা গন্ডায় গন্ডায় সরকারী ও অ-সরকারী (দরকারী ও বেদরকারী) সবরকম ট্রেনিং প্রোজেক্ট বাগাতে লাগলেন। শুধু ডিল ধরেন, আর ডিল বিক্রী করে দেন। তাদের কোনো কাজ নেই। এতেই কাম সারা। তারা টাকায় লাল হয়ে গেলেন।

বিগত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উগান্ডেশে বিপুল হারে, দৈত্যাকার বহরে যে লুটপাটের ফানেলটা ওপেন ছিল, তার দুটো বড় খাত ছিল জলবায়ু তহবিল আর ট্রেনিং তহবিল।

এই দুটো মামদোবাজিতে দেশে কাড়ি কাড়ি টাকা এসেছে। বেসরকারী খাতেও টাকা উড়েছে। সরকারও অকল্পনীয় রকম টাকা ঢেলেছে। আর, একদল চালাক মামদো ভূত, সেগুলো যাস্ট বাঁদর নাচ দেখিয়ে গিলে ফেলেছে।

আমরা কেবল বাঁদর নাচটাই দেখেছি। স্কিল ডেভেলপমেন্টের হয়েছে লবডঙ্কা। ভাগ্য গড়ে নিয়েছে অনেকে।

একবার এক ভদ্রলোক একটা সেমিনারে আমন্ত্রণ করলেন। তাকেও চিনি না। সংগঠনও চিনি না। তবু গেলাম। ঘন্টা তিনেক থাকলাম। লাঞ্চটা বেজায় লোভনীয় ছিল। লাঞ্চের পরে গান্ডূর মতো কাট মারব যেই বললাম, ওমা, আমাকে দেখি একটা খাতায় সাইন করতে বলে আর একটা টাকার খাম হাতে দেয়।

কীসের টাকা?

ওমা! তাও জানেন না! ট্রেনিংয়ে অংশ নেয়া প্রত্যেককে আমরা টাকা বরাদ্দ রাখি তো।

ভাবুন একবার, কোথায় আপনি টাকা পে করে ট্রেনিং করবেন। বক্তৃতা দিলে টাকা পাবেন।

উল্টো কেবল হাজির হয়ে ঘন্টা পাঁচেক বক্তৃতা শুনলেও টাকা পাচ্ছেন। এর নাম ট্রেনিং।

নয়ছয় কীভাবে হয়-ভাবুন।

অত্যন্ত আশাপ্রদ ঘটনা, যে, মানুষ ট্রেইনিং নিতে আগ্রহ পাচ্ছে। কিন্তু সমস্যাটা হল, যত ট্রেইনিং হচ্ছে বা আয়োজিত হচ্ছে, তার কতটা মানসম্পন্ন? মান মানে অনেক কিছু, যার মধ্যে বিষয়ের যুগোপযোগীতাসহ অনেক কিছু জড়িত। যোগ্যতা সম্পন্ন ট্রেইনার, ম্যাটেরিয়াল, লজিসটিকস, সময়, ইভ্যালুয়েশন-এগুলোও মানসম্পন্ন ট্রেইনিং এর অনুসঙ্গ।

আমি একটু সন্দিহান, প্রতিদিন যত যত ট্রেইনিং হচ্ছে, তার কতটা সত্যিই মানোত্তীর্ন। যারা ট্রেইনিং নিচ্ছেন, তারা আসলে একটি এক পাতার পার্টিসিপেশন সনদ ছাড়া আর কী পাচ্ছেন? ফ্রি বা বিনামূল্যে ট্রেইনিং তো অবশ্যই সম্ভব নয়। কিন্তু তাই বলে, ট্রেইনিং দেবার মূল লক্ষ্য যদি হয় ব্যবসা বা পেশা-তবে সেটা সবক্ষেত্রে ইতিবাচক নাও হতে পারে।

আমাদের যেকোনো টপিকে শুরু হওয়া টেরনিঙ কেন যেন ultimately কী করিলে কী হইবে, এবং, তুমিও পারিবে-তে গিয়ে শেষ হয়।

টেরনিঙ হয়তো ছিল এ্যাডভান্সড এক্সেল এর ওপর, সেশন শেষে ‘ভাইয়া’র উত্তেজিত গরম টেরনিংয়ের তুবড়ি থামলে আর উত্তেজিত শ্রোতাদের জোস কিঞ্চিত কমলে দেখা যায়, পুরো সেশনে বক্তৃতা হয়েছে ড্রপ আউট হয়েও স্টিভ জবস হওয়া আর বড় লিডার হবার নানা চোরাগলির বয়ান নিয়ে।

গোটা প্রফেশনাল জগতটা মাথা দিয়ে পাহাড় ঠেলে সরানোর পেছনে পড়ে যাচ্ছে। সেই পাহাড়ের নাম মুটিভেশন ও ইনসপিরেশন।

ওদিকে, জাতিকে মোটিভেট করতে গিয়ে আমাদের বোদ্ধা ও বিজ্ঞরা মোটিভেশনের কাটাটির ইকুইলিব্রিয়ামকে বিভ্রান্ত করে ফেলেছেন।

এক স্টিভ জব্বারস আর বিলিগোট স্যারকে সামনে রেখে তারা ‘একাডেমিক রেজাল্ট তথা CGPA ই সব নয়’ এটাকে কচলাতে কচলাতে ওভারডোজ করে বাচ্চা পোলাপানের মগজে কু-বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিয়েছেন ”CGPA কিছুই না।’

ফলাফল হচ্ছে ভয়াবহ। পড়বেন কিন্তু রেজাল্ট ম্যাটার করবে না, টুর্নামেন্টে যাবেন, জিততে হবে না, বিয়ে করবেন, বাচ্চা হতে হবে না, বাজেট ব্যয় করবেন, ব্রীজটা বাস্তবে বানাতে হবে না-কী চমৎকার!

একই সাথে আবার এটাও সত্যি, বাঙালীরা শেখাতে চায় না। নিজে কিছু জানলে সেটা স্কুলে পড়বার সময় যেমন নোট লুকিয়ে রাখতাম, তেমন রেখে দিতে চায়। এমনিতে আমাকে নিজের ফ্যান, পাঙ্খা, অনেক কিছু বলা অনেককে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক কিছু শেখানোর জন্য অনুরোধ করেও সাড়া পাইনি। এমনকি সেলেব দেবতাবৃন্দ ন্যুনতম guidelines বা mentoring টাও করতে রাজি না। তার ওপর আছে ট্রেনার ও মেনটরের দলাদলি, কোরাম, ফোরামের জ্বালা।

টিভিতে ইদানিং একটি মোবাইল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে, যার একটি ডায়লগ আমার খুব মনে পড়ে-”টেরনিং দিলেই পারমু।” আসলেই কি তাই? টেরনিং পেলে সবই কি করা যায়?

প্রতিনিয়ত আমরা আমাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে এবং প্রতিষ্ঠানের বাইরে প্রচুর ট্রেইনিং সেশন অরগানাইজ করে থাকি বা সংঘটিত হতে দেখি। প্রতি সপ্তাহে আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রচুর অমন সেশনের দাওয়াত পেয়ে থাকি। এটা খুবই আশার কথা, যে, ইদানিংকালে কর্পোরেট বডিগুলো এবং কর্মীদের মধ্যেও ব্যক্তিগতভাবে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব বোঝার মাত্রা বাড়ছে এবং মানুষ আগ্রহী হচ্ছে ট্রেইনিং আয়োজন করতে, কর্মীদের বা নিজের স্কীল বাড়াতে।

পপুলারলি অনলাইন বা অফলাইন প্রোগ্রামগুলো আমাদের এখানে ট্রেইনিং হিসেবে অভিহিত হলেও আমাদের সব অন বা অফলাইন সেশন কিন্তু আদতে ট্রেইনিং নয়। অন্তত আমি সেটাই মনে করি।

আসুন, একটু গভীরে গিয়ে দেখার চেষ্টা করি বিষয়টাকে।

আমরা মোটামুটি একই ক্লাসিফিকেশনের বেশ কিছু বিষয়কে ট্রেইনিং হিসেবে ধরে নিচ্ছি। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-ট্রেইনিং/লারনিং সেশন/নলেজ শেয়ারিং সেশন/সেমিনার/ওয়ার্কশপ/সিম্পোজিয়াম/ওয়েবিনার/কনফারেন্স।

এর ভিতরে সেমিনার/ওয়ার্কশপ/সিম্পোজিয়াম/ওয়েবিনার নিয়ে আজ কথা বলছি না।

আমি বলতে চাইছি ট্রেইনিং/লারনিং সেশন/নলেজ শেয়ারিং সেশন নিয়ে। ফেসবুক, লিংকডইন বা বিভিন্ন পেশাজীবি গ্রূপে প্রতিনিয়তই ট্রেইনিং আয়োজনের পোস্ট আমরা দেখি। সেগুলোর সবই কি আসলে ট্রেইনিং?

আমি সাদা চোখে যেটা বুঝি, তা হল, ট্রেইনিং বিষয়টি হল একটি লংগার ভারসনের প্রাকটিক্যাল ও ফিল্ড ওরিয়েন্টেড কনসেপ্ট। যেমন ধরুন, BMA অথবা সাভারের BPATC অথবা সারদায় পুলিশ একাডেমি। ওই স্থানগুলোতে বিভিন্ন বাহিনীর যে ট্রেইনিং বা প্রশিক্ষণ হয়, তাতে সংশ্লিষ্ট থাকে-

-মৌলিক ও তাত্বিক ক্লাসরুম শিক্ষাদান। অর্থাৎ নলেজ শেয়ারিং ও লারনিং।

-হাতে কলমে তত্বগুলোর উপস্থাপন এবং প্রশিক্ষনার্থীদের তাতে বাস্তবে অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন।

-নানা ব্যবহারিক ও অভ্যাসগত প্রক্রিয়ার ভিতর দিয়ে প্রশিক্ষনার্থীদের পরিচালিত করণ, যার ভিতর দিয়ে তারা সিচুয়েশনাল জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে।

-এক্সপিরিমেন্টাল সেশন, কেস স্ট্যাডি, ফিল্ড স্ট্যাডি, প্রোজেক্ট ওয়ার্ক এসবের আয়োজন।

-পরীক্ষা নেয়া এবং ভুলচুক নিয়ে আবারও স্ট্যাডি ও টীম আকারে বিশ্লেষণ।

-তাত্বিক জানার্জন ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্নমুখী গ্রূমিংও এতে সংশ্লিষ্ট থাকা, যেমন: – বিপিএটিসিতে একজন সিভিল সারভ্যান্টকে ডায়নিং রুম এটিকেটও শেখানো হয়।

মোট কথা হল, যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষ্য নিয়ে একজন পারটিসিপ্যান্টকে তাত্বিক, মনস্তাত্বিক, ব্যবহারিক নানা প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে তুলবার একটি কম্বাইন্ড ও কমপ্রিহেনসিভ আয়োজন হল ট্রেইনিং,

যা হতে পারে ৩ দিনের, হতে পারে ৩ মাসের, আবার সেটা হতে পারে ৩ বছরের। দেখুন, ট্রেইনিং মানে প্রশিক্ষণ, মানে প্র রূপে শিক্ষণ। শুধু শিক্ষণ নয়, প্র রূপে শিক্ষণ।

এখন আসি বর্তমান সময়ের কথিত ট্রেইনিংগুলোর বিষয়ে।

আমরা সাম্প্রতিককালে অন বা অফলাইনে একটি ক্লাসরুম সিস্টেমে ঘন্টা তিনেক সময় হতে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ দিন বা দিনের ৩-৫ ঘন্টা সময় নিয়ে মূলত আমাদের পেশার সাথে জড়িত কিছু মৌলিক তাত্বিক বিষয়ে প্রশিক্ষনার্থীদের ওরিয়েন্ট করা, মৌলিক বা প্রাথমিক ধারনা দেয়া এবং

মূখ্যত সিংহভাগ ক্ষেত্রেই বিভিন্ন কমোন সফট স্কীল নিয়ে যে সেশনগুলো আয়োজন করে থাকি, সেগুলো তাহলে কী? সেগুলো কি ট্রেইনিং?

আমি (ব্যক্তিগতভাবে) মনে করি, সেগুলো ঠিক ট্রেইনিং নয়। ওগুলোকে বলা যেতে পারে নলেজ শেয়ারিং সেশন বা লারনিং ফ্যাসিলেটেশন সেশন। আরো স্পেসিফিক করে বললে, অডিও ভিজ্যুয়াল ও লেকচার বেজড লারনিং শেয়ারিং সেশন।

ওগুলো পূর্ণাঙ্গ ট্রেইনিং নয়, বরং সত্যিকারে যে ট্রেইনিংয়ের কথা এর আগেই বললাম, তারই একটি ক্ষুদ্র ইউনিট মাত্র।

b. Most popular training topics:

বিগত ৫-৭ বছরে বাংলাদেশে কেন যেন ট্রেইনিং, গ্রূমিং, মোটিভেশন, নলেজ শেয়ারিং এর চর্চা প্রচুর মাত্রায় বেড়েছে। সেটা হতে পারে মানুষের সচেতনতা বাড়ায় কিংবা এটিকে পেশা হিসেবে নেবার সুযোগ তৈরী হওয়ায়। যে কারনেই হোক, ট্রেইনিং দেয়ার ও নেয়ার প্রচুর আওয়াজ চোখে পড়ে/কানে আসে প্রতিদিনই। আমি ক্যাজুয়ালী জানতে চেয়েছিলাম, (ট্রেইনার ও ট্রেইনীদের কাছে) বর্তমান সময় বাস্তবতার প্রেক্ষিতে কী কী ট্রেইনিং/কোন কোন টপিকে ট্রেইনিং দেয়া বা নেয়া দরকার বলে মনে করেন বিভিন্ন সেক্টরের মানুষেরা। তার প্রাথমিক ফিডব্যাক:

1.Interview Management. 2.Behavioral practices. 3.KPI and Balance Score Card. 4. Interview procedures for Garments Industry. 5.The Best Management Culture for the Industry. 6.Maintenance Management for better Compliance and Better Productivity. 7.Ego Management. 8.Multinational and National management Cultures and alignment. 9.Identifying over manpower and maximum utilization to business. 10. Lean management. 11.Performance management. 12.Higg index and standard of social compliance. 13.ISO 9001:2015. 14.Distribution management & planning. 15.Morality & ethical behaviour in business. 16.Happiness and success. 17.Core Leadership training. 18.Wastage reduction. 19. Cost reduction in business operations. 20.How to effectively use MS Outlook to organize all activities. 21.Effective project management. 22.Communication techniques of an influential leader. 23.How to increase ownership of employees. 24.Strategic HR planning and personality development. 25.Basic training for MS Office, especially MS Excel. 26.Time management. 27. Stress and Anger Management. 28. Conflict Management and Negotiation Skills. 29.HR Accounting. 30.Interview Techniques. 31.Managers Management. 32.Action centred leadership. 33.Neuro Linguistics Program. 34.stress management. 35.Management system to maintain Accord/Alliance benchmark.

সমসাময়িক সময়ে, আমাদের চারপাশে বিভিন্ন প্লাটফরম বা ব্যক্তি/ব্যক্তিসমষ্টি কর্তৃক যেসব ট্রেইনিং বা লারনিং সেশন বেশ জনপ্রিয়ভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে, আমি তার একটি কুইক জরিপ করবার চেষ্টা করেছিলাম-সেগুলোর টপিক ও ধরন নিয়ে একটি ধারনা পাবার জন্য। সেই সাথে চলমান ট্রেন্ড ও মার্কেট নীড নিয়েও একটি ধারনা সৃষ্টিরও লক্ষ্যে। তার-লিংকডইন লিংক: https://rb.gy/kcbzze;

c. Where, when, why, how to get trained up?

ক. কোথায় ট্রেইনিং করবেন বা কোথায় করবেন না?

খ. কখন ট্রেইনিং করবেন বা কখন করবেন না?

গ. কেন আপনার ট্রেইনিং দরকার বা কেন দরকার না?

ঘ. কীভাবে করবেন ট্রেইনিং বা কীভাবে নয়?

ঙ. কোন কোন স্কীল আপনার দরকার বা কোনগুলো দরকার নয়?

চ. একজন সদ্য পাশ করা গ্রাজুয়েট কিংবা কিছুদিন পরেই গ্রাজুয়েশন শেষ হবে, চাকরির বাজারে ঢুকবেন-এমন একজন ব্যক্তির জন্য কী কী ট্রেইনিং নেয়া (হার্ড বা সফট স্কিল) তার চাকরি পেতে সহায়ক হবে?

ছ. কোনো স্পেসিফিক জবে ঢোকার আগে সেই জবের সাথে রিলেটেড হার্ড স্কীল ট্রেনিঙ করাটা কতটা বুদ্ধিমানের কাজ?

কারন যা-ই হোক এবং, এই বিষয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি যেমনটাই হোক, অদূর ভবিষ্যতে জব মার্কেটের রিসোর্স পুল/বেজ হতে আপনি রেডি ট্যালেন্ট খুব কমই পাবেন। বা, বলা যায়, প্রায় পাবেনই না। আমি বলছি আপনার বিদ্যমান খালি হওয়া পজিশনটির সবদিক হতে উপযুক্ত রেডি-মেড ট্যালেন্ট এর কথা।

বাজার হতে রেডি ট্যালেন্ট যেহেতু মিলবে না, অথচ, আপনার ট্যালেন্টও দরকার হবে, ট্যালেন্টের বাস্তবতা আপনি উপেক্ষা করতে পারবেন না, তাই, অদূর ভবিষ্যতে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তার সকল পজিশনের কর্মীদেরকে যার যার KRA ও KPI অনুযায়ী KSA’র অধিকারী করে তুলবার জন্য, অথবা, যথেষ্ট সংখ্যক পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতার কর্মীর দ্রূত সাপ্লাই নিশ্চিত করবার জন্য নিজ খরচে ও গরজে ইন্সটিটিউশনালাইজড, কমপ্রিহেনসিভ, ইনটেনসিভ ও ইনট্রিগ্রেটেড লারনিং ও ট্রেইনিং প্রোগ্রাম (ও সেন্টার) চালু করা ছাড়া গত্যন্তর নেই।

এমনকি, জেরক্স মেশিন অপারেট করা হতে শুরু করে কীভাবে চা বানাতে ও এক্সক্লুসিভ গেস্টকে সেই চা সার্ভ করতে হয়-এমন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কাজের প্রাথমিকতম প্রশিক্ষণও আপনাকেই দিয়ে লোক রেডি করে নিতে হতে পারে। নির্ভূল ইংরেজিতে লিখতে পারবার যোগ্যতাও আপনাকেই ট্রেইনিং দিয়ে শিখিয়ে পড়িয়ে তৈরী করে নেবার বাধ্যবাধকতা তৈরী হয়ে বসতে পারে।

তবে, যদি আপনি চা বানানো, গাড়ি চালানো, পার্সেল ডেলিভারী করা হতে শুরু করে বিজনেস ডিল নেগোশিয়েট করা, টেন্ডার তৈরী ও সাবমিশন করা, প্রোডাক্ট ডিজাইন করা, টিস্যু সেল করা, ট্যাংক নির্মান হতে ১৬ চাকার ট্রেইলার বানাবার টেকনিশিয়ান বিদেশ হতে আমদানী করে বিজনেস চালাতে চান ও পারেন-সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ।

দ্রস্টব্য যে, ওইসব কাজ আপনার বহুল চর্চিত ও স্বপ্নিত AI চালিত ভার্চুয়াল ক্যারেকটার করে দিতে পারবে না। বিশেষত আপনার অফিসের ‘টয়লেট’ ভার্চুয়াল সুইপার এসে ক্লিন করে দেবে না। বলতে দুঃখ হচ্ছে, আজকাল আমরা দক্ষ সুইপারও বাজার হতে পাচ্ছি না।

ঢাকা শহরে যাত্রাবাড়ি হতে গাজিপুর চৌরাস্তা, মেরাদিয়া হতে মিরপুর পর্যন্ত রাস্তার, গলির দুপাশে আপনি হাজার হাজার ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট, পলিটেকনিক, সার্টিফিকেশন ইন্সটিটিউট দেখতে পাবেন।

এই প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাদের এইচআর, মার্চেন্ডাইজিং, CAD, প্যাটার্ন, কোয়ালিটি, অফিস ম্যানেজমেন্ট, একসেল, গ্রাফিকস, শেয়ার বিজনেস, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, এয়ার হোস্টেস, বুটিক, ব্লক, পেইন্টিং, IE, ফ্যাশন ডিজাইনিং, প্রিন্টিং, গার্মেন্টস প্রোডাকশনসহ অসংখ্য বিষয়ে ট্রেইনিং দেবার অফার দেবে।

এগুলো এবং এর সাথে সাথে আপনি মেইল, ভাইবার, মেসেজ, টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জার, ফেসবুক, হোয়াটসএ্যাপ, পত্রিকায়, লিংকডইনে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রেইনিং এর বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন।

যেখানে সফট ও হার্ড-উভয় রকমের স্কীলে ১-৩ দিনের কোর্স হতে সার্টিফিকেট কোর্স, ডিপ্লোমা, পিজিডি কোর্স থেকে শুরু করে আজকাল মাস্টার্স করারও অফার আসছে। নানা মেয়াদে, নানা খরচে, নানা ঢঙ্গে।

কোনোটাকেই খারাপ বা ভাল বলব না।

শুধু আপনাদের বলব, যারা ফ্রেশার, চাকরীরত, চাকরীর বাজারে নিজের যোগ্যতা বাড়াতে চান, আর সেজন্য একটা কোর্স করতে চান।

দয়া করে, যেকোনো ট্রেইনিং এ ভর্তি হবার আগে কয়েকটা কাজ করুন:-

* একজন অভিজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট সিনিয়রের সাথে আলোচনা করুন।

* প্রতিষ্ঠানের আদ্যোপান্ত ও ট্রেইনিংরত শিক্ষার্থীসহ অতীতে যারা ট্রেইনিং করেছেন ওখান থেকে, পারলে তাদের কাছে খোঁজ নিয়ে নিন।

*কোনো সাবজেক্টে যেকোনো কোর্স করার আগে সেটি আপনার জন্য ইফেকটিভ হবে কিনা, তা ক্যারিয়ার কোচদের কাছে যাঁচাই করে নিন।

*ফ্রড হতে সাবধান হোন

আমি আমার সামনে বসা ইন্টারভিউইদের প্রায়ই প্রথমে বলি, “আপনি নিশ্চিত থাকুন, ইন্টারভিউতে আইনস্টাইনের মতো সবকিছু জানা প্রার্থী আমরা খুঁজছি না। তাই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছেন কিনা-তা ভেবে ঘাম ছুটাবেন না। বেসরকারী প্রতিষ্ঠান আইনস্টাইন খোঁজে না। তারা খোঁজে একজন ভ্যালূ প্রোডিউসার, যিনি না জানা জিনিস এক্সপ্লোর করতে জানেন আর সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভ্যালু ক্রিয়েশন পারবেন-এমন। তো, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান যেমন কর্মী খোঁজে, তাদের ভিতর যেসব যোগ্যতা খোঁজে, তার ভিতর হার্ড স্কীল তো আছেই। আছে সফটস্কীলও ।

আমরা আমাদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মোটামুটি ৫ ধরনের বিদ্যা হাসিল ও ইউটিলাইজ করি, তা নিয়ে এখানে একটু নজর দেব। ক. লাইফ লারনিং তথা ডোমেস্টিক ও লাইফ স্টাইল জনিত দক্ষতা এবং কমোন সেন্স খ. একাডেমিক ইনসাইট গ. এক্সক্লুসিভ প্রফেশনাল ইনসাইট ও স্কিল ঘ. নানা রকম কমোন হার্ড স্কিল ঙ. ইউনিভার্সাল সফট স্কিল। চাকরি পাবার জন্য যে এমপ্লয়েবিলিটির কথা আমরা বলি, তা মূলত মোটা দাগে তিন রকম-হার্ড স্কিল, সফট স্কিল আর পারসোনালিটি ও মাইন্ডসেট।

জানেন নিশ্চয়ই, সফট স্কিল হল সব স্কিলের মা। সফট স্কিল ভেতরে থাকলে তবেই হার্ড স্কিল গ্রো করবে। যার সফট স্কিল নেই, তার হার্ড স্কিলও থাকার সুযোগ কম। আর পারসোনালিটি ও মাইন্ডসেট সেই দুই স্কিলের সঠিক প্রয়োগ ও ব্যবহারের অনুঘটক।

সফটস্কীলের তালিকা অনেক লম্বা। তার ভিতর খুবই জরুরী কিছু স্কীল আছে। এই স্কীলগুলো ক্লাসে ট্রেইনিং করিয়ে সৃষ্টি করা যায় না। এগুলো মেশিনে ময়দা দিয়ে ওপাশ হতে রেডি পাউরুটি পাবার মতো করে তৈরী করা যায় না। এগুলো দীর্ঘ চর্চা ও ব্যবহারের ভিতর দিয়ে নিজের ভিতর গ্রো করতে হয় আর তারপর সেগুলোতে ধার বাড়িয়ে নিতে হয়। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে আমরা কেমন মানুষ খুঁজি, সেটি যদি কেউ বুঝতে চান, তাহলে বলব, যে কাজে আসবেন, সেই কাজটাতে দক্ষ হওয়া যেমন জরুরী, তার পাশাপাশি এই কমোন স্কীলগুলো অভিজ্ঞ ও নবাগত-উভয়েরই নিজের ভিতরে সৃষ্টি করাই যথেষ্ট।আর হার্ড স্কীল? যেকোনো জব করতে যেসব বিদ্যা ও দক্ষতা সরাসরি দরকার হয়, যাকে আমরা টেকনিক্যাল নলেজ বলি, সেগুলোই হার্ড স্কীল। যেমন ধরুন, কম্পিউটার অপারেশন, ইংরেজি বলা ও লেখার ক্ষমতা ইত্যাদি।

স্কীল যদিও কখনো নরম বা শক্ত-কোনোটাই হয়না, তবুও, সফট স্কীল নামে একটা ব্যাপার তো আছে, তাই না? নেট হতে সংগৃহিত বিদ্যায় কিছু সফট স্কীলের বিবরন দিলাম। তাদের ডিটেলসহ। কারো যদি কাজে লাগে, ভাল লাগবে:-

1.Communication Skills

• Able to listen• Listening• Negotiation• Nonverbal communication• Persuasion• Presentation• Public speaking• Read body language• Storytelling• Verbal communication• Visual communication• Writing reports and proposals• Writing skills

2.Critical Thinking

• Adaptable• Artistic sense• Creativity• Critical observer• Critical thinking• Design sense• Desire to learn• Flexible• Innovator• Logical thinking• Problem solving• Research• Resourceful• Think outside the box• Tolerant of change and uncertainty• Troubleshooting• Value education• Willing to learn

3.Leadership

•Conflict management• Conflict resolution• Deal making• Decision making• Delegation• Dispute resolution• Facilitating• Give clear feedback• Inspiring• Leadership• Management• Managing difficult conversations• Managing remote teams• Managing virtual teams• Meeting management• Mentoring

• Motivating• Project management• Resolving issues• Successful coach• Supervising• Talent management

4.Positive Attitude

• Confident• Cooperative• Courteous• Energetic• Enthusiastic• Friendly• High energy• Honest• Patient• Respectable• Respectful• Sense of humor• Work-life balance

5.Teamwork

• Accept feedback• Collaborative• Customer service• Deal with difficult situations• Deal with office politics• Disability awareness• Diversity awareness• Emotional intelligence• Empathetic• Establish interpersonal relationships• Experience dealing with difficult personalities• Intercultural competence• Interpersonal skills• Influential

• Networking• Persuasive• Self-awareness• Selling skills• Social skills• Team building• Team player

6.Work Ethic

• Attentive• Business ethics• Competitive• Dedicated• Dependable• Follow direction• Highly organized• Independent• Make deadlines• Motivated• Multitasking• Organization• Perseverant• Persistent• Planning• Proper business etiquette• Punctual• Reliable• Resilient• Results oriented• Scheduling• Self-directed• Self-monitoring• Self-supervising• Stay on task• Strategic planning• Time management• Trainable• Work well under pressure

আর হার্ড স্কীল?

যেকোনো জব করতে যেসব বিদ্যা ও দক্ষতা সরাসরি দরকার হয়, যাকে আমরা টেকনিক্যাল নলেজ বলি, সেগুলোই হার্ড স্কীল। যেমন ধরুন, কম্পিউটার অপারেশন, ইংরেজি বলা ও লেখার ক্ষমতা ইত্যাদি।

প্রায়ই কেউ কেউ (এমনকি আমি নিজেও) এইচআরের সিনিয়র প্রফেশনালরা কী কী ট্রেইনিং বা সার্টিফিকেশন নিতে পারেন এবং কোথা থেকে, সেটা জানতে চান।

প্রফেশনাল বন্ধু নুর ফয়সালের এমনই এক পোস্টে আমার প্রশ্নের পেক্ষিতে জনাব Saddam Hossain নিচের মতামত শেয়ার করেন। ওনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের সহায়তা হতে পারে ভেবে শেয়ার করা হল।

1. Global Remuneration Professional by WorldatWork.

2. Certified Reward Professional by Aon Hewitt

3. Certified Professional in Learning & Performance by Association for Talent Development.

4. Assessment Centre Related Training by Psyasia

5. Assessor Certification Program on Assessment Centre Approach

6. to Competency Mapping, XLRI, Jamshedpur, India

7. Neuro-linguistic Programming, Dr. Richard P. McHugh

8. Brain-based Coaching Certification, Neuro Leadership Institute, Australia

9. Certified Balanced Scorecard Professional (BSP), by Balanced Scorecard Institute, USA (Strategy

Management Group) & George Washington University College of Professional Studies, USA

10. Certified KPI Professional by KPI Institute Australia.

11. GPHR, SPHR, SPHRi etc from HRCI

12. SHRM-SCP, SHRM-CP from SHRM

13. Job Evaluation by Hay Group

14. Mercer’s 3P Compensation Philosophy and IPE Methodology by Mercer

একজন সদ্য পাশ করা গ্রাজুয়েট কিংবা কিছুদিন পরেই গ্রাজুয়েশন শেষ হবে, চাকরির বাজারে ঢুকবেন-এমন একজন ব্যক্তির জন্য কী কী ট্রেইনিং নেয়া (হার্ড বা সফট স্কিল) তার চাকরি পেতে সহায়ক হবে-যদি জানতে চান, তাহলে বলব-

আপনি যদি কোনো প্রোফেশনে থাকেন, তবে সেই রিলেটেড হার্ড স্কীল ট্রেইনিং অবশ্যই নিন। আর যারা এখনো জবে ঢোকেননি, তাদের জন্য চাকরীর আগে ট্রেইনিং নিতে গেলে শুধুমাত্র কমোন হার্ড স্কীল যা যেকোনো জবে দরকার হবে সেগুলোর ওপর কোর্স করুন। অথবা আপনি জেনারেল সফট স্কীল ট্রেইনিং নিতে পারেন।

কোনো স্পেসিফিক জবে ঢোকার আগে সেই জবের সাথে রিলেটেড হার্ড স্কীল ট্রেনিঙ করাটা কতটা বুদ্ধিমানের কাজ-এই প্রশ্নও আমাদের করা হয়।

জব হবার আগে কোনো বিশেষ জব রিলেটেড হার্ড স্কীল ট্রেইনিং তখুনি নেবেন যদি আপনি ডিটারমাইন্ড থাকেন, যে, ওই কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজ করবেই না, কিংবা আপনার ওই প্যাশনেট জবে ঢোকাটা একদম নিশ্চিত হয়ে থাকে। কারন বাংলাদেশে আপনি ফাইনালি কোন জবে ঢুকতে পারবেন, তা নিশ্চিত নয়। তাই জব হবার আগেই এলোমেলো ট্রেইনিং করে নিজের সিভি ভারী করার আগে ভাবা উচিৎ।

ইন ক্যারিয়ার বা অন দি জব আছেন, বেশ কিছু বছর অভিজ্ঞতা জমেছে-এমন কর্মী বা পেশাজীবিদের ক্যারিয়ারে দক্ষতা বৃদ্ধির স্বরুপ এবং উপায়:

মনে করুন আপনি একটি জবে ঢুকেছেন। আপনার কিছু বছরের কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। এই জবের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারে উন্নতি করতে হলে আপনাকে আর কী কী করতে হবে? এই প্রশ্ন ও বিষয় নিয়ে লিংকডইনে করা পোস্টের ফিডব্যাক সংযুক্ত করলাম: https://www.linkedin.com/…/urn:li:activity…]

কর্মজীবনের (মূলত চাকরি) কমবেশি ৫ বছর পার করে ফেলেছেন, এমন কর্মজীবি/চাকরিজীবি একজন পেশাজীবি মানুষ, সাধারনত, কী কী বিষয়ে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জন করার চিন্তা করে থাকেন, কিংবা, তিনি তার পরবর্তী কর্মজীবনের উন্নয়নের জন্য কী কী বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করার চেষ্টা করে থাকেন বা থাকা উচিত:

আন্ডারগ্রাজুয়েট এবং ফ্রেশার গ্রাজুয়েটদের ক্যারিয়ার প্রস্তুতির জন্য, নিজেদের প্রশিক্ষিত করে তুলবার জন্য বা তাদের ইন-জব উপযুক্ত করে তুলতে একটি কোর্স ডিজাইন করতে, যেসব টপিক অন্তর্ভূক্ত হতে পারে: –

1. Basic idea on career and all its aspects.

2. Goal setting for career.

3. Career planning-definition, proper time of planning, components of planning.

4. Methods & mechanisms of career preparation.

5. Employability features and the competencies which are preferred by private employers.

6. Preparation of a modern & appropriate resume & cover letter.

7. Methods & techniques of job searching.

8. Appropriate manner of job application.

9. Interview hacks & cracks-A-Appearance, documentation, get up, punctuality and type of interviews

10. Interview hacks & cracks-B-Common questions & their answers, manner of facing interview, tricks to win the heart of interviewer, tricks of answering etc.

11. Professional approaching for building network/job link.

12. Effective communication techniques & technologies.

13. Public speaking and business presentation.

14. Mechanisms/Hacks to utilize LinkedIn & FB for career.

15. Professional networking.

16. Time & task Management.

17. Money Management.

18. Office etiquette and workplace norms.

19. Knowing the common personality traits of human being.

20. MS Office, advanced excel and graphics designing.

#softskill #training #trainingmania #trainingfun #trainingmockery #trainingneeds #TNA #certification #qualification #course #whatistraining #definitionoftraining #wheretobetrained #whentobetrained #knowledgesharing

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *