আমরা বাঙালিরা কখনোই নাকি নিজের কথাটা নিজে বলতে পারি না। তার প্রমাণ মেলে পদে পদে।
বাঙালি বিবাহিত পুরুষ। রাত গভীরে পুরুষের মতো করে বউকে প্রণয়ের এপ্রোচ করতে পারে না।
”কী গো, বাবু কি ঘুমাইছে?”-দিয়ে কাজ সারে।
আমরা তাই চিরকাল পরের মুখেই তামুক খাই। পাকিস্তানী ক্রীকেটার আমাদের ক্রীকেট নিয়ে আন্ডারএস্টিমেট করলে আমরা প্রতিবাদে ফেসবুক ফাটাই।
আবার ম্যাককালামের প্রেডিকশনের জবাবে শোয়েব আকতারের বাংলাদেশ টীমের প্রশংসাকে কাজে লাগাই।
ইউনিসেফ মঙ্গল শোভাযাত্রাকে স্বীকৃতি দিলে তাদের মুন্ডূপাত করি। আবার সেই ইউনিসেফের বয়ানেই “ইউনিসেফ অবশেষে ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ধর্মের স্বীকৃতি দিল” দিয়ে ইসলামকে সমুন্নত করার চেষ্টা করি।
ভারতের মিডিয়ায় বাংলাদেশের জয়কে আপসেট বলায় ক্ষোভে ফাটি (ফেসবুকে)। আবার ধোনী বাংলাদেশ টীমের ফিল্ডিং ঠিক করে দিলে আবেগে চোখ ভেজাই।
শাহবাগের প্রজন্ম চত্তরের জনআন্দোলনে আবদুন নুর তুষার পক্ষে বিবৃতি দিলে তাকে পঁচাই। আবার সেই তুষারের লেখা দিয়ে মাশরাফিকে পঁচাই।
ধানের দাম কম। আমরা শাইখ সিরাজ কেন কিছু করলেন না-ফেসবুক ফাটাই। গুলিস্তানের পাবলিক টয়লেটে পানি পাইনি-ব্যরিস্টার সুমন কোথায়-ফেসবুক কাঁপাই।
প্রোফেসরকে গায়ে হাত তুলল ছাত্রনেতা, কেন সারাদেশ কানে ধরে না-ফেসবুক লাড়াই, তানিয়া ধর্ষিত, কেন সুলতানা কামাল বিবৃতি দিলেন না-ফেসবুক কাঁপাই।
ফেলানী হত্যা হল, কেন শাহরিয়ার কবির প্রতিবাদ করলেন না-ফেসবুক মাতাই।
সবখানেই আমরা পরের মুখে তামুক খাই। খেতে না পারলে তাকে দালাল বানাই।
#selfesteem #counter #favor #exploit #EscapingOwnResponsibility #AvoidingSelfResponsibility #DoubleStandard