Skip to content

কেঁচো জীবন

  • by

মরার এই দেশে যেখানে বাবা-মা হওয়ার কারন হল

-হয় একটি দুর্ঘটনা

-না হয় “লোককে মুখ দেখাব কী করে?”

-না হয় ”বুড়া বয়সে কে দেখবে?”

-না হয় “আমরা কবে দাদী দাদা হব?”

সেখানে আগত সন্তানদের-নিজস্বতা ও হাত পা ছড়িয়ে বেড়ে ওঠার, নিজেকে বাঁচাবার, নিজের মতো বাঁচবার, ডানা মেলবার, ইচ্ছে ঘুড়ি ওড়াবার, নিজের মতো বড় হবার, নিজের জীবন নিজের মতো গড়ে নেবার, নিজের পছন্দে ক্যারিয়ার বাঁছার, চ্যালেঞ্জ নেবার, কোমর সোজা করে ঘাড় উঁচু করে চাকরীস্থলে কাজ করবার কোনো উপায় কি আছে?

হাঁচি দিতে গেলেও এদেশে সন্তানকে ভাবতে হয়, বাড়িতে কতগুলো মুখ আমার মুখ চেয়ে বসে আছে। নাহ, আমি এটা করতে পারব না। ইন্টারভিউ দিতে একটা দামী শার্ট কিনতে গেলেও ভাবতে হয়।

ব্যাংক ড্রাফট করলে বোনের শাড়ি হয় না, একটা কোচিং করতে গেলে ভাইয়ের বেতন দেয়া যাবে না, একটু ভাল খেয়ে কোমর সোজা করতে গেলে মা’র ওষুধের টাকায় টান পড়বে। উফ!

তখন চ্যালেঞ্জিং, একদা সংগ্রামি ও বিদ্রোহী ছেলেটা হয়ে যায় ছাপোষা মধ্যবিত্ত চাকোরীজীবি।

একেকটা বাংলাদেশী ছেলেমেয়ে দায়ীত্বের, কর্তব্যবোধের, আবেগের, পারিবারিক বন্ধনের ভারে ন্যুজ্ব। [লোকে ভাবে, আমি মানুষটা নাক উঁচু ও সমাজের সব বাস্তবতার উর্দ্ধে থাকা এক ফাউল। আরে ভাই, বন্ধুর শার্ট ধার করে আমি নিজেই তো ইন্টারভিউ দিয়েছি। রাস্তার কলের জল আপনি একাই খান নাই।]

#middleclasslife #nakedlife #thuglife #sacrifice #lifestruggle #selfesteem #ParentHood #Obligatoin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *