পেডিগ্রি, জিন, রক্ত, ডি.এন.এ, এথনিসিটির সহিত আমাদের জাতিগত উৎকর্ষ কোন প্রকারে সংশ্লিষ্ট কি না—একবার চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করি। যদিও চ্যাটজিপিটি বলিয়াছেই বলিয়া তাহা যে যথার্থ—তাও নহে। আমি আরও অন্তত দুইটি মডেলকে জিজ্ঞাসা করি। উত্তরও প্রায় সদৃশ।
মানবজাতির জিনগত পার্থক্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র। সকল মানবসন্তান জিনগত রূপে প্রায় ৯৯.৯% একক। বৈজ্ঞানিক গবেষণা (population genetics) প্রমাণ করে যে—এক জাতির অন্তর্বর্তী জিনগত বৈষম্য, ভিন্ন জাতির পারস্পরিক বৈষম্যের অপেক্ষা প্রায়শই অধিক।
মানুষের ডি.এন.এ-তে তাহার পিতা-মাতার জেনেটিক বিন্যাসের কিছু অংশ সংবাহিত হয়—ইহা সত্য। সন্তানের মুখচ্ছবিতে পিতা, মাতা, মাতৃকূল বা পিতৃকূলের ঘনিষ্ঠ স্বজনদের ছাপ আমরা দৃষ্টিগোচর করি। আচরণেও কখনো কখনো সামান্য মিল দেখা যায়।
কিন্তু তাহা ইন জেনারেল এবং ম্যাক্রো দৃষ্টিকোণ হইতে, অ্যাজ এ হোল, একটি জনগোষ্ঠী, ফ্লক, গ্রুপ অব পিপল, এক ভূখণ্ড বা রাষ্ট্রোদ্ভূত জাতি কিংবা কমোন এথনিক অরিজিনবিশিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর মানুষের গনহারে ও সুবিস্তৃতভাবে উন্নত জাতিগোষ্ঠী রূপে বৈশিষ্ট্যপ্রাপ্ত হইবার, তথা জাতিগত উৎকর্ষ বা সুপ্রিমেসি অধিকারী হইবার কোনো যুক্তিসঙ্গত প্রাসঙ্গিকতা সৃষ্টি করে না।
অর্থাৎ, সহজ ভাষায় বলিলে—বংশগত বৈশিষ্ট্যের কারণে কোনো জাতি জ্ঞানে, গুণে, চরিত্রে, স্বভাবে, কর্মে, সৃষ্টিতে, অবদানে, আবিষ্কারে, অর্জনে উন্নততর জাতি হইয়া উঠিবে—এমন কোনো এথনিক অরিজিনজনিত গণভূমিকা প্রমাণিত নয়।
আমরা কখনো কখনো বলিয়া থাকি—জার্মান, জাপানি, চীনা, সুইডিশ, পাঠান ইত্যাদি জাতিসমূহ নাকি জাতিগতভাবে উন্নত; উন্নত রক্তের—ইহা একটি মিথ মাত্র।
জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রসঙ্গে রক্ত, জিন ও এথনিসিটির প্রভাব বৈজ্ঞানিকভাবে অপ্রমাণিত।
হ্যাঁ, অ্যাডভান্সনেস বা সুপ্রিমেসি যাহা আমরা অ্যাজ এ হোল কোনো রাষ্ট্র বা জাতির ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ করি—তাহা মোটেই রাষ্ট্রের কমোন অরিজিনজনিত নয়। ইহাকে বরং বলা যাইতে পারে—বৃহৎ পরিসরে অসংখ্য ব্যক্তির ম্যাসিভ এক্সেলেন্সের সম্মিলিত ফলাফল।
হ্যাঁ, একটি জাতিরাষ্ট্র বা রাষ্ট্রভুক্ত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ম্যাসিভ এক্সেলেন্স ও বিকাশের মূল উৎসে কিছু ভৌগোলিক সুবিধা রহিয়াছে, কিছু অতীত পূর্বপুরুষের হইতে আগত জিনগত একক বা আরও নানা বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ইনহেরিট্যান্স রহিয়াছে; কিন্তু বাকিটা, সিংহভাগটাই মনুষ্য-সৃষ্ট। অর্থাৎ রাষ্ট্র ও মানুষের সম্মিলিত অবদান।
যাহার মধ্যে দায়ী—রাষ্ট্রের বিন্যাস, চরিত্র, শিক্ষাব্যবস্থা, মানবিক গুণাবলি বিকাশের আয়াস, সংস্কৃতি, শাসনব্যবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, অর্থনৈতিক কাঠামো, সামরিক শক্তি, আধিপত্যক্ষমতা ইত্যাদি—সমষ্টিগতভাবে যাহাকে পরিবেশ বলা যায়।
আমার কথাটি যদি বাহাস বলিয়া প্রতীয়মান হয়—তবে উদাহরণস্বরূপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল লরিয়েটদের ইতিহাস নিরীক্ষণ করিতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের এ যাবৎ প্রাপ্ত নোবেল বিজয়ীদের এক বিরাট অংশ নেটিভ আমেরিকান নহে; এমনকি পিওর আমেরিকানও নহে। বহির্জাত, বহুকাল পূর্বে মাইগ্রেটেড, বিশ্বমানের বিবেচনায় আপাত নিম্নস্তরের মানুষ বলিয়া বিবেচিত জনগোষ্ঠীরই বহুজন।
বর্তমান বাংলাদেশ বা সাবেক পূর্ববাংলা হইতে পশ্চিমবঙ্গে মাইগ্রেট করা অগণিত গুণী, বিখ্যাত ও স্বনামধন্য ব্যক্তির কথা স্মরণ করুন। পরিবেশ ও পরিস্থিতি কি তাহাদের বিকাশ ঘটায় নাই? এই ভূখণ্ডে থাকিলে কি তাহারা তাহাদের স্বরূপে উদ্ভাসিত হইতে পারিতেন? এরূপ কতজনকে স্মরণ করিতে পারেন—বলুন না।
ঐ মহান মানুষগুলি যদি বঙ্গীয় উগান্ডেশে রইতেন—তবে তাঁহারা আসলে কি হইতেন? তাঁদের প্রতিভা, সম্ভাবনা, সৃষ্টিশীলতার বিকাশ ও প্রকাশে এই ভূখণ্ড কতখানি অনুকূল?
অকর্মণ্য বসিয়া কখনো কখনো ভাবি—খোদ রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, লালন, জয়নুল, কালিদাস, জীবনানন্দ, শেরে-বাংলা অথবা টেসলা, এলন মাস্ক, স্টিভ জবস, গগন হরকরা, সিরাজ বয়াতি; কিংবা নেপোলিয়ন, স্পার্টাকাস, হারকিউলিস অথবা অচ্ছ্যুত হাসন রাজা যদি বর্তমান বঙ্গীয় উগান্ডেশে জন্মগ্রহণ করিতেন—তবে কী ঘটিত?
আল-হাল্লাজ যদি ভুলক্রমেও এই বঙ্গীয় পবিত্রভূমিতে পদার্পণ করিতেন, তবে তাঁহার নামে তিন-গণ্ডা মামলা নিঃসন্দেহে আরোপিত হইত। প্রতিভার বিকাশের পূর্বেই তাহার পরিণতি প্রকাশ পাইত। যাহা হউক, উগান্ডার আলোচনা যখ উঠিলই, তখন আরও কিছু কথা কহিবার আছে।
অবগত রহিয়াছেন নিশ্চয়ই, ধরনীর বুকে ’উগান্ডা’ নামে একখানা ভূখন্ড রহিয়াছে। যাহার নাম বঙ্গফেসবুকের দেয়ালে দেয়ালে খচিত রহিয়াছে। ব্যক্তিগত আগ্রহ হইতে ’উগান্ডা’ দেশীয় মানব প্রজাতির চরিত্র অনুসন্ধান করিতে গিয়া এই কয়টা পাইলাম। এইগুলা ‘উগান্ডা’ নামীয় ভূখন্ডের জাতিগত চরিত্রের কিছু নমুনা। এই জাতির অমরত্ব প্রাপ্তি কে আটকাইবে?
১. ভন্ড ২. প্রতারক ৩. চোর ৪. লুন্ঠক ৫. দ্বিচারী ৬. তোষামুদে ৭. তেলবাজ ৮. দুনীতিবাজ ৯. লোভী ১০. অমিশুক ১১. সন্দেহপ্রবন ১২. পরশ্রীকাতর ১৩. হিংসুটে ১৪. অসহযোগী ১৫. অসহমর্মী ১৬. ধর্মান্ধ ১৭. অশিক্ষিত ১৮. ফাঁকিবাজ ১৯. অলস ২০. অপরাধপ্রবণ ২১. ভাঁজ খাওয়া ২২. বাতিকগ্রস্থ ২৩. গুজবজীবি ২৪. শর্টকাটজীবি ২৫. কপিবাজ ২৬. নতজানু ২৭. ঘরকুনে ২৮. উদ্দমহীন ২৯. ভীরু ৩০. আত্মপ্রবঞ্চক ৩১. হিংস্র ৩২. দেশপ্রেমহীন ৩৩. পলায়নপর ৩৪. নারী বিদ্বেষী ৩৫. পুরুষতান্ত্রীক ৩৬. নারীলোভী ৩৭. ইন্দ্রীয়পরায়ন ৩৮. সুযোগসন্ধানী ৩৯. পশ্চাত ল্যাং প্রদায়ক ৪০. শক্তের ভক্ত নরমের যম ৪১. নির্বোধ ৪২. ফিচকে স্বভাব ৪৩. বিশৃঙ্খল ৪৪. অতিভোজী ৪৫. পরচর্চাকারী ৪৬. কুসংস্কারাচ্ছন্ন ৪৭. ধান্দাবাজ ৪৮. স্বপ্নহীন ৪৯. নির্বিকার ৫০. দায়ীত্বজ্ঞানহীন ৫১. স্বার্থপর ৫২. আত্মকেন্দ্রীক
এই গ্রহে আপনার চেনাজানা অন্য কোনো মানব জাতির সাথে ইহার দূরতম কোনো মিল যদি খুঁজিয়া পান, তাহা নিতান্তই কাকতাল এবং আপনার গোবরচর্চিত উর্বর মস্তিষ্কের ও গোমূত্র সমৃদ্ধ কিডনীর যুগ্ম বায়বীয় কল্পনা মাত্র।
উগান্ডাল্যান্ডের একটা মজা হইল, কোনো কিছু লইয়া কথা কহিতে গেলেই পুরা ভূখন্ডের মানুষ পশ্চাৎদেশের মতো দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া কূ-তর্কের উপক্রম করে; আর একটা সময়ে যাইয়া, “Who killed Jasika” এই মূল প্রশ্ন পাশ কাটাইয়া, “স্বামী গেল কুয়েতে, স্ত্রী কেন ইমুতে” তাহার তত্বানুসন্ধানে সবাই নামিয়া পড়ে। অনেকটা লালসালুর মজিদের স্টাইল-”ওই মিয়া, তোমার দাড়ি কই?”-এর সদৃশ।
উগান্ডাল্যান্ডের বর্তমান টক অব দ্যি টাউন “ভাইস্কর্য বনাম কৃষ্ণমূর্তি”। এই মূর্তি অবশ্য ‘ভাবমূর্তি’ নামক কোনো বিমূর্ত মাল নহে। সে শ্রীমতি কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সদৃশ একদম সাক্ষাৎ ইট, পাথরের দ্যাবতা। বেচারা দ্যাবতা নিজেও দ্বিধান্বিত, সে কি মূর্তি নাকি ভাইস্কর্য-সেই দোলাচলে। রাস্তায় কাউয়ারাও বেচাইন-তাহা হইলে কি এতকাল ভাস্কর্য ভাবিয়া মূর্তির মাথায় হাগু করিয়া কাটিলো?
ছ্যা, ছ্যা। ঘটনার সূত্রপাত হয় তখন, যখন একখানি উগান্ডান সংগঠনের শীর্ষ তাত্বিক নেতার প্রয়ান (নাকি এ্যাসাসিনেটেড?) হইবার পরে, তাহারই রাখিয়া যাওয়া সংগঠনকে দখলে লইল তাহারই চ্যালাচামুন্ডারা, আর সেই দখলের গন্ধ ঢাকিতে আর নিজেদের খ্যামতা জানান দিতে দখলদার গ্রূপের এক চ্যালা উগান্ডাল্যান্ডে দাড়াইয়া হ্যামিলনের বাঁশিওলার মতো করিয়া তাহার ভাঙা তোবড়ানো টিনের চোঙাটা বাহির করিয়া লালসালুর মজিদের সুরে ট্রয় নগরবাসীকে লক্ষ্য করিয়া তাহার তম্বুল রঞ্জিত পবিত্র ওষ্ঠাধর মোবারক হইতে এলান করিলেন, “আইজকা হইতে শাহআলীর দ্যাশের আওয়ালপুর নগরে কোনো ভাইস্কর্য ওরফে মূর্তি রাখা যাইব না।”
ব্যাস। শুরু হইয়া গেল ধুন্দুমার। গোটা উগান্ডাল্যান্ড সেই হইতে ব্যস্ত–একদল দেশে যাবতীয় আকাম কুকাম, অধর্ম, পাপের সবরকম ফোয়ারা বহাল থাকা সত্ত্বেও তাহাকে পাশ কাটাইয়া দেশকে মূর্তির পাপ হইতে বাঁচাইবার মহান ব্রতে নিমজ্জিত। দ্যাশ যেহেতু আবার বঙ্গবন্ধুর সমার্থক, তাই উহারা বঙ্গবন্ধুকেও ওপাড়ে পাপের হাত হইতে বাঁচাইবার মহান ব্রতকে উহার সহিত ট্যাগ করিয়া লইয়াছেন। উহাও আবার ’ফেসবুক’ নামক হারাম মাধ্যমে। অবইশ্য ‘ঘুরানি ফিরানি মাসলায়’ উহারা ফেসবুক আর উইটুব কে হালাল করিয়া লইয়াছে। তাহা না থাকিলে উহাদের ভিডু দেখাইয়া TRP বাড়িবে ক্যামোনে? TRP না থাকিলে যে আজকাল পাবলিক মাগনা মদও খায় না, তাহা উহারা উত্তম রূপেই অবগত রহিয়াছেন।
ফলতঃ https://rb.gy/rivcl5 ফুডু তোলা হারাম আছিল-আজি হালাল হইয়া গিয়াছে। সংসদীয় রাজনীতি করা হারাম আছিল-হালাল হইয়া গিয়াছে। ইউটিউব, ফেসবুক হারাম হইতে শর্ত সাপেক্ষে হালাল হইয়া গিয়াছে। নারীর নেতৃত্বে রাজনীতি করা, সংসদ, ভোট, গণতন্ত্র, বৃটিষ আইন-সব হারাম হইতে হালাল হইয়া গিয়াছে শীতকালের মাসলায়। ধর্মবাণী প্রচার করিয়া কড়ি গুনিয়া লওয়াও হারাম হইতে হালাল হইয়া গিয়াছে। উটের বদলে হেলিকপ্টারে চড়িয়া ধর্মপ্রতিষ্ঠা হালাল হইয়া গিয়াছে। এমনকি কপালের দোষে বলাৎকারও ভাস্কর্য’র চাহিতে লঘু পাপিস্যূ (পাপ+ইস্যূ) হইয়া গিয়াছে। -ওদিকে আরেক দল ন্যাস্ত ভাস্কর্য আর মূর্তির মৌলিক পার্থক্য নির্নয় করিয়া ভাস্কর্য নির্মানের যৌক্তিকতা প্রমাণে।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হইতেছে, ভাস্কর্য যে মূর্তি না-সেই লেজিটিমেসি ও এপ্রোপ্রিয়েশন দিতে পারিলেই হ্যামিলন আর তার ফেসবুক উন্দুরেরা ফণা নামাইবে। নানা নামে, ঢঙে, প্রক্রিয়ায় চলিতেছে সেই লেজিটিমেশনের আপ্রাণ চেষ্টা। -আরেকখানা ছোট গ্রূপ আবার মীন মীন করিয়া চোদ্রি আরব, খলিফাতুল ফেসবুকীন টার্কি (টার্কি মুরগী নয়, তুরষ্ক), ফাকিস্তান, বালি নামক দোযখের দেশ ইন্দুনিশিয়া, মালুশিয়া, কামিনীর দেশ ইরান-ইহাদের ভাইস্কর্য গড়িবার উদাহরন দিয়া উগান্ডায় ভাইস্কর্য থাকিবার যৌক্তিকতা প্রমানের রাস্তা ধরিয়াছে। যেন, চদ্রি আরব যাহা করে, আমরাও তা করিলে দোষ নাই। সেই দিক দিয়া দেখিলে চোদ্রির শ্যাখ সাবরা আমাদের মা-বোনদের যেইভাবে ধর্ষণ ও খুন করিয়া বাক্সে করিয়া ফেরত পাঠায়, সেইটাও আমরা করিতেই পারি। অবশ্য আমরাই বা সেইটা করিতে কম যাই কই? প্রতি মাসেই তো এই শাহজালাল, শাহপরাণের দেশে হাজারে হাজারে ’মাইয়া মানুষ’ ধর্ষণ আর খুন হয়। হ্যামিলনের মাইক্রোফোনঅলা অবশ্য ওইসব লইয়া কখনো বলেন নাই, “শাহ মখদুমের দ্যাশে কোনো বলাৎকারীর স্থান হইব না।” মুশকীল কোষাটা রহিয়াছে এই লেখার শুরুতেই, যে, কাইজ্যা এখন মূল সুর হারাইয়া আওয়ালপুরের পথ ধরিয়াছে।
কথা হইল, ওই উগান্ডাল্যান্ডের আওয়ালপুরী হ্যামিলনের বাঁশিওলা আর তাহার থলির উন্দুরগুলারে কানের নিচে দুইটা গরম গরম দিয়া সবচাইতে ভ্যালিড প্রশ্নটা কেউ ক্যান জিজ্ঞাসে না, যে, “WHO THE BLOODY HELL ARE YOU TO FIX THE DISCOURSE OF THIS LAND, WHEN YOUR EX-ABBA HUZUR WAS A CONFESSED RAJAKAR?”
এই লেখার সহিত বিশ্বচরাচরের কোনো কমলাকৃতির গ্রহের সিঙারা শেপের আরেকখানা কানাডাসম ল্যান্ডের চলমান ভাবমূর্তি নির্ধারন বিপ্লবের মিল কেউ যদি খুঁজিয়া পান, উহা তাহার একান্তই নিজস্ব মস্তিষ্ক বিকৃতি বলিয়া জানিবেন। ভাইস্কর্যের ’পিছে লাগা’টা যে, জাতিকে বা জাতির জনককে পাপের হাত হইতে বাঁচাইতে নহে, বরং মসনদ দখলের দিবাস্বপ্নে, তাহাও এই ’আবাল উগান্ডান ঝাতি’ বোঝে না। অবশ্য, সবশেষ বার্তা অনুযায়ী, খলিফাতুল মোমেনীন এরদোঁয়াঁ ভাই আর তাহার মূলক খেলাফতে টার্কি (টার্কি মুরগী নহে, তুরষ্ক বুঝিবেন) উগান্ডাল্যান্ডের রাজধানীতে উহাদের ’সেক্সকুলার’ ন্যাতা মোস্তফা কামাল আতাতূর্ক সাহেবের ’মূর্তি’ আর নিজ দ্যাশে বঙ্গবন্ধু’র ’মূর্তি’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত লওয়ার খবরে এই মসনদকামী জনগোষ্ঠীর ’অনুভূতি’তে কীরুপ আঘাত লাগিল-তাহা অবশ্য বুঝিতে পারা যাইতেছে না। খলিফাতুল মোমিনীন এরদোঁয়াঁ ইহা কীহা করিলেন?
তবে কি তিনিও মোরতাদের খাতায় নাম লেখাইলেন?
আরেকখানা কথা। অন্যান্য দেশে যাহাই হউক, উগান্ডাল্যান্ডে ভাস্কর্য নির্মানের এই হিড়িক যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসিয়া নহে, দেশের ঐতিহ্যকে সমুন্নত করিতেও নহে-তাহা বুঝিতে নাবালেগ বাচ্চারও ২০ সেকেন্ডই লাগে। তাহা হইলে কেন? যদি সত্যিই জানিতে চান, তাহা হইলে
https://www.facebook.com/groups/canvasbd/permalink/3673157806062719 এই লিংকে গিয়ে পড়ুুন।
আমি ততক্ষণে আমার জাতির পিতা প্রিয় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচীত এই কবিতাখানা আরেকবার পড়ি—–
এই বাংলার আকাশ- বাতাস, সাগর- গিরি ও নদী
ডাকিছে তোমারে বঙ্গবন্ধু, ফিরিয়া আসিতে যদি,
হেরিতে এখনও মানবহৃদয়ে তোমার আসন পাতা,
এখনও মানুষ স্মরিছে তোমারে, মাতা- পিতা- বোন- ভ্রাতা।
#nationaldestruction #destructivenation #socialdeterioration #socialdestruction #socialdeviation #natureofnation #Bangalnature #bangalicharacter #Bangalipattern #nationalcharacter #prejudice #religion #sculpture #idol #goddess #manikin #religiousfanatism #extremeism #prejudice #hypocrisy #hypocritenation #hypocritepreachers #Pedigree #BluBlood #ElitEthnicity #EthnicSuperiority #NationalSuperiority #NationalExcellence #EthnicExcellence