Skip to content

বুদ্ধিজীবি হত্যা

একটি রাষ্ট্র হিসেবে গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্ম ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ, যার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আসে ১৬ই ডিসেম্বর।

একটি স্বাধীন রাষ্ট্র’র জন্ম দিতে ঠিক কী রকম ত্যাগ ও বেদনার হিমালয় পেরোতে হয়-সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে-শহীদ রুমীর মা জাহানারা ইমামের।

আজাদের মায়ের। নাদের গুন্ডার পরিবারের।

শহীদুল্লাহ কায়সারের সন্তানদের। ডাক্তার আলীম, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, ফ্লা. লে. মতিউর রহমান, ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব……………………এনাদের পরিবারের।

সেই বেদনা, ত্যাগ, দুঃখ, যাতনার ভিতর দিয়ে যেতে তো হয়ইনি, বরঞ্চ সেই জন্মকে সর্বোতভাবে বাঁধাদান, আক্রমন ও ধ্বংসপ্রাপ্ত করার সবরকম চেষ্টা করে গেছে যে বা যারা, সেই সব জানোয়ার, বর্বর, অন্ধ, জালিম, জ্ঞানপাপী, দেশদ্রোহীদের একটি বিরাট অংশ এই দেশেই রয়ে যায়। আর কালক্রমে নিজেদেরকে ছদ্মবেশী পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়।

ছদ্মবেশ ধারন করলেও সময়ে সময়ে তাদের পেছনের সেই আদিম দেশদ্রোহীতা ও রাজাকারের ল্যাজ ঠিকই প্রকাশিত হয়ে পড়ে আর পাবলিক মুখে না বললেও, তাদেরকে খুব ভাল করেই চেনে। যাহোক, কথাটা হল, এই রাষ্ট্র কোন মতবাদ ও দর্শনে পরিচালিত হবে, সেটা নির্ধারন হয়েছে দেশের জন্মের আগেই। সেসবের নিয়ন্ত্রণ, পরিবর্তনের একমাত্র হকদার এই রাষ্ট্র সৃষ্টির ও জন্মের পেছনে যাদের অবদান পাহাড়সম, রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা ও তার জন্য জীবন ও সম্ভ্রম হারানো সেইসব মানুষেরা বা তাদের পরিবার।

সেই অধিকার নেই কোনো হঠাৎ গজানো ছদ্মবেশি, ধর্মব্যবসায়ী (ধর্মপ্রাণ নয়; ধর্মব্যবসায়ী), রাজাকার বা তার পরিবারের। এটাই হল যাবতীয় যুক্তির সার কথা।

যারা এই এই সারবত্তার সাথে একমত নন, তারা দয়া করে আমার একটি উপকার করুন।

কী সেই উপকার? আমাকে আপনাদের ‘ফেসবুক ফেরেনড’ তালিকা হতে বাদ দিন। আর ততটা কষ্ট যদি করতে না চান, আমাকে জানান। আমিই কষ্টটা করে নেব।

মাত্র তিনটি ক্লিক ক্লিকেরই কাজ। কথা শেষ।

আজ ১৪ ডিসেম্বর।

শহীদ বুদ্ধজীবি দিবসে এই ভাল ও আকাঙ্খীত কাজটি হোক। জয় বাংলা।

#hypocrisy #hypocritenation #disguise #tailbeast #rajakar #collaborators #antistate #prtriotism

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *