Skip to content

আপনারে আপনি চিনে নে

  • by

মানুষকে চেনা বড় কঠিন। আর সামাজিক মাধ্যমে মানুষকে চেনা সম্ভবত আরও কঠিন।

কারণ, এখানে মানুষকে কম দেখা যায়, দেখা যায় তার টেক্সট, তার ছবি, তার মতামত, তার রাগ, তার ভালবাসা, তার অভিনয়, তার নীরবতা। বাকিটা পাঠকের কল্পনা।

সেই কল্পনার সুবিধা হল, সেখানে যে যার মতো করে একটা মানুষ বানিয়ে নিতে পারে।

আমার ধারণা, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আমাকেও অনেকেই তেমন একটা মানুষ বানিয়ে নিয়েছেন। সেই মানুষটার সঙ্গে বাস্তবের আমার মিল কতটুকু—সেটা নিয়েই আজকের এই বাখোয়াস।

এটাকে আত্মব্যাখ্যা ভাববেন না। সেলফ টেস্টিমনিও না। বরং এক ধরনের রিজয়েন্ডার, আবার একটু হেয়ালিও বলতে পারেন।

লিংকডইনে বিচরণ করছি তা প্রায় ১৬ বছর হল। এই ১৬ বছরে লিংকডইনে বিরাজ করে কী হাতিঘোড়া মারলাম, তার হিসেব প্রায় কখনো করি না। (আসলে সফলতা প্রায় শূন্য, তাই চাপা মারি। সত্যি কথা হল, আমি খুব সচেতনভাবে খেয়াল করি, এই বিচরণ কোনো ফলাফল জেনারেট করছে কিনা।)

ঠিক কী ফলাফল আমার প্রত্যাশায় আছে—সেটা অব্যক্ত থাকুক। তবে, আর দশজন মানুষের যে প্রত্যাশা, সেগুলো আমারও আছে।

মানুষ লিংকডইনে (এমনকি ফেসবুকেও) বিরাজ করে মূলত—একটা ভাল চাকরি, বিভিন্ন রকম সুযোগ, বেশি বেশি মানুষের সঙ্গে কানেকশন, চারপাশের জগতটার সঙ্গে এলাইন থাকা আর কিছুটা শেখার জন্য। ও হ্যাঁ, নিজেকে দেখানোও এই বিরাজমানতার আরেকটি উদ্দেশ্য বটে।

আমিও তার ব্যতিক্রম না।

তবে আমার কেসে একটা গোলমাল হয়ে গেছে।

আমি চাকরির বাইরে এই একটা কাজই মোটামুটি পারি—লেখালিখি। প্রায় এক যুগের কম-বেশি সময় ধরে এই বাখোয়াসটাই করে যাচ্ছি। যদিও এর ওজন খুব কম।

লেখার ধাতে আমি প্রায় সারমেয় স্বরূপ। না লিখলে ভাত হজম হয় না টাইপ। এই ক্রমাগত সারমেয়ের মতো লেখা প্রসবের কারণেই হোক, আর খোঁচাখুঁচি টাইপ পোস্টের কারণেই হোক, সোশ্যাল বাজারে আমি বেশ কুখ্যাত। এখন কুখ্যাতিও কিন্তু একটা পরিচিতি। বোদ্ধারা বলেন, নেগেটিভ মার্কেটিং। হবে হয়তো। আমি কি আর অতশত নিকাপড়া জানি!

তো, লেখালিখির সুবাদে অনেকে হয়তো আমাকে জানেন। (চেনেন বলব না।) আমাকে দেখা যায় না, আমার লেখা দেখা যায়। আর এই একতরফা চেনাজানাকেই অনেকে নেটওয়ার্ক বলে ভুল করেন।

বাস্তবে আমার জীবনটা খুবই আনরোমান্টিক।

চাকরি আর লেখালিখির বাইরে আমার ক্লাব লাইফ নেই, ক্যাফে লাইফ নেই, কফি লাইফ নেই, সেলফি ও দলফি লাইফ নেই, রিসোর্ট লাইফ নেই, নাইট লাইফ নেই, বয়জ ট্যুর লাইফ নেই, বয়জ মিট লাইফ নেই, কর্পোরেট এনজয়মেন্ট লাইফও নেই। নানা কারণে নেই। খাসলত, অক্ষমতা, টাকার অভাব—সব মিলিয়েই নেই। ফলে বাস্তবে আমার চেনাজানা মানুষের সংখ্যাও খুব বেশি না।

তবুও কী করে কী করে যেন, অনেকের মনে ধারণা হয়েছে, আমার নেটওয়ার্ক বিশাআআআল। আদতে না। খুবই খুবই সীমিত।

অনেকের বিশ্বাস, আমার প্রচুর জানাশোনা। আদতে না। আমার চেনা যেমন কম, জানার জগতও আরও সীমিত। হ্যাঁ, মানুষের নেচার জানা, কোম্পানির অন্দরের খবর জানা, কর্পোরেটের চরিত্র জানা আর HR-কে গভীর থেকে জানা—সেটা হয়তো আমার শক্তি।

তো, কেউ কেউ ভুলে পড়েন, মনে করেন, আমি চাইলেই যে কাউকে একটা চাকরি দিতে পারি। আদতে না। আমি কাউকে চাকরি দিতে অক্ষম। ইন ফ্যাক্ট, আমি ‘চাকরি দেওয়া’ কথাটাতেই বিশ্বাস করি না। আমি কেবল সামান্য একটা যোগসূত্র হতে সক্ষম ও আগ্রহী।

এরই মধ্যে আমার ১৬ বর্ষীয় বুড়ো প্রোফাইলে তাকালে যে কারও দুটো সংখ্যা আগে চোখে পড়ে—২৯,০০০ আর ৯৮,০০০।

সংখ্যা দুটো খুবই মিসলিডিং।

প্রায় সবাই, এমনকি এ.আই. মডেলগুলোও বিভ্রান্ত হয়। ওগুলো মনে করে, আমি বিশাল তালেবর, বিশাল পাবলিক ফিগার।

যদিও লবডঙ্কা।

সমস্যাটা সম্ভবত এখানেই।

কারণ, সংখ্যা, লেখা আর কল্পনা—এই তিনে মিলে মানুষ একটা মানুষ বানিয়ে ফেলে। তারপর সেই মানুষটার সঙ্গেই ব্যবহার করে। বাস্তবের মানুষটার সঙ্গে আর দেখা হয় না।

আর সেদিন, খুব কাছের কয়েকজন সুহৃদ আর মুরব্বীর সঙ্গে ক্যাজুয়াল আলাপে বুঝলাম, মানুষ আমাকে নিয়ে যে মানুষটা বানিয়ে নিয়েছে, তার পরিচয় আমি নিজেও ঠিকমতো জানতাম না।

সেই পরিচয়পর্বটাই শুরু হোক…

তো, শুরু হল জেরা।

বিদ্যুত ভাই, এতদিনে বুঝলাম, আপনে আসলে মুক্তমনা।

না রে ভাই, এখনো কত কত সংস্কার আমার মনে বাসা বেঁধে বসে আছে। আমি মন নামক যন্ত্রণা হতে মুক্ত না। আমারও একটা মন আছে। সেটা গত দশ বছর ধরে বাঁধা পড়ে আছে গিন্নী নিটোলের আঁচলে। আবার মন যে আছে, সেটা বুঝি যখন বৃষ্টি নামে আকাশ কালো করে। মন আজও কেমন কেমন করে। তাহলে মন হতে মুক্ত হলাম কী করে?

বুঝলাম, তাইলে আপনে নারীবাদী।

না জনাব, আমি নারীকে বাদী হিসেবে দেখি না। তাকে পুরুষের যোগ্য সঙ্গী হিসেবেই দেখি। আরও বলি, নারীকে বাদ দিয়ে কোনো কিছু ভাবারও সমর্থক আমি নই। তাহলে আমি নারীবাদী হলাম কী করে?

ওহ, তাইলে আপনে ধর্মনিরপেক্ষ।

তাও না জনাব। আমি ‘নিরপেক্ষ’ নামের কোনো ধর্মের অনুসারী না। আমার অনুসৃত ধর্মের নাম ইসলাম। ক্যান, গত একবছর ধরে মাঝে মধ্যেই যখন আমি একটা মায়াময় পরিবেশের মসজিদ খুঁজে যাচ্ছি, তখন আপনি একটা মসজিদও তো সাজেস্ট করেননি। আমি কারো ওপর ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ারও পক্ষে নই। নিজে সব আকাম-কুকাম করে সামাজিক মাধ্যমে ধর্মের সামান্যতম জ্ঞান নিজে ধারণ না করে কালেকটেড নলেজ নিয়ে হম্বিতম্বি ও আহাউহু করারও পক্ষে নই। আবার ধর্মের বন্ধন হতে ঊর্ধ্বে চলে যাওয়ারও পক্ষে নই।

বুঝছি, আপনে আসলে সুশীল।

ক্যামনে কী ভাইজান? সুন্দর, সুমন্দ্র, সুভদ্র—কোনো কিছুই তো আমি আমার মধ্যে খুঁজে পাই না। তার ওপর, আমি তো পেশায় শীলই না। একজন বেসরকারি গার্মেন্টস কর্মী। তো, তায় আবার সু-ও-শীল!

তাইলে কি আপনে আপোষকামী?

তাও তো মনে হয় না। শপিংকে হ্যাঁ বলানোর কত চেষ্টা নিটোল করল। আপোষ করলাম না। গো. আযমকে পেন্নাম করানোর কত চেষ্টা দেইল্লা রাজাকার সেই ছোট্টকাল হতে করল। তাও তো আপোষ করলাম না। আমি আপোষকামী ক্যামনে?

যান, আর কইতে হইব না। আপনে নিচ্চই সুবিধাবাদী।

কী যে বলেন! এই বেবুশ্যে নগরে বিশটা বছর ধরে ঠোক্কর খেতে খেতে নিজের আখের গুছানোর চেষ্টা করে গেলাম। আজও বড় মানুষদের মতো করে কিছুমাত্র সুবিধা করতে পারলাম না। পূর্বাচল কিংবা বসুন্ধরায় এক ছটাক জমিও কিনতে পারলাম না। একটা ব্যাংকের চেকও ম্যানেজ করা গেল না। আর আপনি বলেন, আমি সুবিধাবাদী!

আইচ্ছা, তাইলে আপনেই কন, আপনে আসলে কী?

ক্যান ভাই, আমি কী—সেটা কি একটা দ্রষ্টব্য বস্তু? দেশে বড় বড় মানুষের কি অভাব পড়েছে যে আপনি আমায় নিয়েই পড়লেন?

আর যদি পড়েই থাকেন, তবে শুনুন। আমি একজন কবি, একজন লেখক, একজন গার্মেন্টস কর্মী, একজন যৌক্তিক চিন্তক, একজন রিজনেবল চিন্তক, একজন বিশ্লেষক, একজন নন-জাজমেন্টাল, একজন বেহুজুগে, একজন রসকসহীন, একজন বোরিং, একজন ভ্যাবলা পুরুষ। আর আমি অবশ্যই আমার স্ত্রীর স্বামী এবং আমার মায়ের কুসন্তান।

তো, আমি কী—সেটা নিয়ে মানুষের কৌতূহল থাকতেই পারে। কিন্তু তার চেয়েও বড় কৌতূহল সম্ভবত মানুষ তৈরি করেছে—আমি কী নই, সেটা নিয়ে।

কয়েকজন মুরব্বী, কয়েকজন সুহৃদ, আর কয়েকটা ক্যাজুয়াল আলাপ মিলিয়ে বুঝলাম, নেটিজেনদের মনে আমাকে নিয়ে বেশ কিছু নেগেটিভ ভাইব তৈরি হয়েছে। এমন ভাইব, যেগুলোর অনেকটাই আমার অজানা ছিল। ওনারা বললেন, এই ভাইবগুলো শুদ্ধায়ন না করলে নাকি আমার চাকরি হবে না!

আমি বললাম, কাহিনী কী? “হোয়াট ইজ রং?”

ওনারা বললেন, সমস্যা আপনার লেখা না। সমস্যা, মানুষ আপনার লেখা পড়ে আপনাকে যে মানুষটা কল্পনা করে, তিনি।

সেই কল্পনার তালিকাটা শুনুন—

১. কারো ধারণা হয়েছে, আমার প্রচণ্ড নাক উঁচু। কাউকে গণনায় ধরি না।

২. কারো ধারণা হয়েছে, আমি প্রচণ্ড ধনী আর বিপুল অঙ্কে আয় করি।

৩. কারো ধারণা হয়েছে, আমি নাগালের বাইরে। আমার জন্য কোনো পজিশনই আর মানানসই নেই।

৪. কারো ধারণা হয়েছে, আমি প্রচণ্ড নেগেটিভ ও টক্সিক।

৫. কারো ধারণা হয়েছে, আমি হার্ড নাট। মূর্তিমান ভেজাল।

৬. কারো ধারণা হয়েছে, আমি প্রচণ্ড বেনেভোলেন্ট। মানুষকে হরেদরে চাকরি দিয়ে বেড়াই।

৭. কারো ধারণা হয়েছে, আমি প্রচণ্ড চাকরিখেকো। হরেদরে চাকরি খেয়ে দিই।

৮. কারো ধারণা হয়েছে, আমি আমার শত্রুদের টার্গেট করে করে লিখি।

৯. কারো ধারণা হয়েছে, আমার বিপুল নেটওয়ার্ক। হাগারে হাগারে বড় বড় জ্যাক আমার।

১০. কারো ধারণা হয়েছে, আমার আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই।

১১. কারো ধারণা হয়েছে, অনলাইনের বাইরে আমার আসলে কোনো লাইফ নেই।

১২. কারো ধারণা হয়েছে, আমি আমার অফিসে মনে হয় স্বর্গীয় ফল্গুধারা বইয়ে দিতে পেরেছি।

১৩. কারো ধারণা হয়েছে, আসলে আমার সবটাই চাপা।

অল আর রং।

অল হাইপোথেটিক্যাল।

যাদের ধারণা, আমি একটা দৈত্য—তারাও রং।

যাদের ধারণা, আমি একটা দ্যাবতা—তারাও রং।

তবে রং হলেও এগুলো যে একেবারে ক্ষতিহীন—তা না।

বরং এই হাইপোথেটিক্যাল ইমেজগুলোরই বোধহয় বাস্তব মূল্য আমাকে দিতে হয়েছে। অনেক দিন বুঝিনি। এখন একটু একটু করে বুঝতে পারছি।

এই ১৬ বছরে ওই ২৯,০০০ কানেকশন, ৯৮,০০০ ফলোয়ার, এক যুগেরও বেশি সময়ের রচনামৃত-বচনামৃত, আর সোশ্যাল মিডিয়ার এই অবিরাম বিচরণ—সব মিলিয়ে আমার জন্য কী ফলাফল নিয়ে এসেছে, জানেন?

আপনার অবিশ্বাস্য লাগলেও সংখ্যাটা জিরো।

মানে, এই ১৬ বছরে—

Zero Job Offer

Zero Consultation Offer

Zero Mentoring Offer (I as Mentee)

Almost Zero Learning Request (I as Mentor)

প্রথমে ভাবতাম, হয়তো এটা কাকতালীয়। পরে বুঝলাম, হয়তো কাকতালীয় না। মানুষ আমাকে দেখে একটা মানুষ কল্পনা করে। আর সেই কল্পিত মানুষটার সঙ্গে কাজ করতে, তাকে চাকরির অফার দিতে, তাকে কনসালট্যান্ট হিসেবে ডাকতে, কিংবা তাকে মেন্টর হিসেবে চাইতে—অনেকেই হয়তো একটু ইতস্তত করেন।

হয়তো ভাবেন, এই লোককে আর কী অফার দেব? এ তো সবই পেয়ে গেছে।

হয়তো ভাবেন, এই লোক নিশ্চয়ই নাগালের বাইরে।

হয়তো ভাবেন, এ তো ভীষণ মুডি, ভাবিস্ট, পায়াভারী।

হয়তো ভাবেন, এত প্রশ্ন করে, এত কৌতূহল দেখায়—বোধহয় খুব কম জানে। HR আর আইনকানুনে সম্ভবত দুর্বল। তাই এত সিলি প্রশ্নও করে।

এটা শুনে হাসতে পারিনি। ভেবেছি—সত্যিই কি আমি দুর্বল? হব হয়তো।

আর সবচেয়ে হাসির, চিন্তার অথচ মজার তথ্য দিয়েছেন একজন। তাঁর ভাষ্য, কারো কারো অনুমান—আমি বোধহয় ……….স্তিক।

এইটা শুনে তিনদিন অজ্ঞান ছিলাম। হুশ ফিরে পেয়েই এই লেখা লিখছি।

ভাইরে, মানুষের কল্পনা সাত আসমান ছাড়িয়ে যায় সামান্য লিংকডইন আর হোয়াটসঅ্যাপ পোস্ট পড়েই।

ভাউ রে ভাউ!

এত বিপুল কল্পনাশক্তির মানুষ যে দেশে থাকে, সে দেশে একটা ভ্যান গগ, একটা পাবলো নেরুদা কিংবা একটা মোজার্ট কেন পয়দা হয় না—সেটাই আমার গবেষণার বিষয়।

যাহোক, অনেক আগে বাবার অফিসের একজন মহাগুন্ডা হঠাৎ ঘোষণা দিয়ে ‘ভাল’ হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর দুধ দিয়ে গোসল না করলেও, অফিসের প্রায় হাজারখানেক মানুষকে গান্ডেপিন্ডে গিলিয়ে শুদ্ধানুষ্ঠান করে ভাল হয়ে গিয়েছিলেন।

আমি অত বড় মাপের মানুষ না। আমার শুদ্ধানুষ্ঠানও অত জাঁকজমক হবে না।

আমিও এই পোস্টের মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে ভাল হয়ে যাব।

আর খোঁচাবো না।

গাইলাবো না।

নেগেটিভ ইস্যু নিয়ে কথা বলব না।

অসঙ্গতি নিয়ে আলোচনা করব না।

চাপা পড়ে থাকা সত্য উগড়ে দেব না।

মুখোশ ও ভণ্ডামি প্রকাশ করে দেব না।

দিনশেষে ওসব কাজ বাহবা পাইয়ে দিতে পারে, হাততালি আনতে পারে, আহাউহু আনতে পারে। কিন্তু একজন বেসরকারি চাকরিজীবীর যেটা একমাত্র চাই—একটা ভাল চাকরি আর কিছু টাকা—সেটাকে দূর দূর দূর করে দেয়।

মোট কথা, এখন হতে অল সুশীল, মিঠা, কুসুম কুসুম পোস্টই পাবেন।

তবু আমারে একটা সুযোগ দিয়েন বস।

জাস্ট একটা চান্স।

জাস্ট একটা ভাল চাকরি।

আমার বুল অয়ে গ্যাছে।

আমারে খোমা করি দ্যান।

#selfassessment #myself #mentality ##judgementalattitude #CognitiveBias #ConfirmationBias #inferioritycomplex #SuperiorityComplex #SupremacySyndrome #judgement # perception #personalbeliefs #knowthyself

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *