অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর Larissa Waters। তিনি Australian chamber of parliament এ ভাষন দিচ্ছিলেন কয়লা খনির কাজে ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে। আবার তিনি একজন মা। ভাষনরত অবস্থায়ই দুগ্ধপোষ্য কন্যা Alia কে খাওয়াচ্ছিলেন। পার্লামেন্ট ভরা সিনেটরদের সামনে, অন ক্যামেরা। কতটা লিবারেল, মুক্তমনা, বন্ধুসুলভ, সহমর্মী, পারমিসিভ, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী ও সহকর্মী হলে এই বিষয়টাকে করা ও অন্যদের জন্য সেটা সহজে মানা সম্ভব? আমরা আমাদের কর্মক্ষেত্রে আমাদের সহকর্মীদের প্রতি কতটা সহমর্মী ও উদার?
আমরা অনেকেই গর্ব করে থাকি, কত কষ্ট করে আমি কাজ করি, কত সংগ্রাম করে প্রোফেশনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি তার খোঁজ কে রাখে? এই মায়ের চেয়েও কি বেশি সংগ্রাম আপনাকে করতে হচ্ছে? লিবারেল হই। এটি একটি সংস্কতি। পারমিসিভ হই। এটি সভ্যতার অঙ্গ। সহমর্মী হই। এটি মনুষ্যত্বের লক্ষন। শিক্ষিত হই।
শিক্ষা শুধু সার্টিফিকেটে থাকে না।
ডান হাত, বাম হাত, অযুহাত।
You are giving excuse.
আমি কোনো অযুহাত শুনতে চাই না। আমি রেজাল্ট চাই।
এই অমীয় বাণী বাংলাদেশের বসদের প্রিয় স্টাইল to get things done without taking hassle on own shoulder.
Fact হল, টিম সদস্যদের নিয়মিত ও ধারাবাহিক অপারেশন ড্রাইভে বস যদি resilience দেখাতে না চান, যদি কিছুই না বিবেচনায় নিয়ে absolutely রেজাল্ট চান, যদি তার টিমমেটদের গ্রাসরুট লেভেলের নানা খুঁটিনাটি পাত্তা না দিতে চান, ওসবের মধ্যে ঢুকতে না চান, তিনি রেজাল্ট আসলে কখনোই পাবেন না।
মানুষ তো ম্যশিন না। সে তার শরীর, মন, পরিবার, সুস্থতা, স্ট্রাগল, বিপদ-আপদ-এই সবকিছু নিয়েই বাঁচে। এগুলোকে ইগনোর করে, ১০৪ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে, বাচ্চাকে বাসায় অসুস্থ রেখে এসে, গ্রামে বিপদে পতিত বাবা-মাকে রেখে, বাসার ফ্রিজ নষ্ট দেখে, বউয়ের সাথে ঝগড়া করে, রাস্তায় বাস না পেয়ে হেঁটে অফিসে এসে, ক্রেডিট কার্ডের কিস্তির চাপ দেয়া কল পেয়ে, বাইরে ৪৪ ডিগ্রী গরমে মরে, সারারাত লোডশেডিং হয়ে না ঘুমিয়ে-এত এত মুসিবতের মধ্যে দিয়ে যাবার পরও আপনার এসাইনমেন্ট সুপার স্মুদভাবে তুলে আনবে-এটা কি সত্যিই সম্ভব?
আপনি চাইতেই পারেন, কিন্তু আসলেই পাবেন কি?
রেজাল্ট, কাজ, পারফরম্যান্স-এগুলো আসলে সার্বিক ও দীর্ঘমেয়াদী ফসল। এগুলো ‘খ্যাওলা’ জালে মাছ ধরা নয়।
আজকে কাজ পাবেন, কাল সারাদিন টিম বাদাম ভাজবে, পরশু আবার নাওয়াখাওয়া ভুলে কাজ তুলবে, তার পরদিন সারাদিন ক্ষুরা শুকোবে, তার পরদিন আবার দামামা বাজিয়ে কাজ হবে-মাস ও বছর শেষে ট্যালি করবেন, কত পেলেন।
টিম পারফরম্যান্স আসলে ব্যস্টিক না, সামষ্টিক।
You can make people work, but, you can’t force them perform.
আপনাকে বুঝতে ও মনে রাখতে হবে, যে, মানুষ তার নিজের জীবন পরিচালনার জন্য কাজ করে, তার পরিবারের মঙ্গলের জন্য চাকরি করে।
সুতরাং, চাকরির কারনে যদি তার নিজ জীবন বা পরিবার ভাল না থাকে, সে কখনোই চাকরিস্থলকে ভাল কিছু দেবে না।
হিউম্যান আপনার প্রতিষ্ঠানের একমাত্র ক্যাপিটাল, যা কখনোই নামতা বা ক্যালকুলেটরের গ্রামারের ছক মেনে চলবে না।
মানুষের কোনো ম্যানুয়াল বুক নেই, স্বরলিপি নেই।
তাকে কোড করা যায় না। কোড দিয়ে পারফর্ম করানো যায় না।
#resilience #empathy #sympathy #permissive #liberalism #brestfeeding #ForcePerformance #ExcuseVsChallenge