একবার এক জাপানি, আমেরিকান ও বাংলাদেশি জ্ঞানী বিড়ালকে কাঁচামরিচ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ নিলেন। জাপানি বিড়ালের মুখের কাছে কাঁচামরিচ ধরে জাপানি কায়দায় নানারকম ঘাইকিচিং করলেন, ১১০ বার বো করলেন বিড়াল কাঁচামরিচ খেলো না।
আমেরিকান মরিচ ভেঙে জোর করে বিড়ালের মুখে দিতে গেল। বিড়াল আচড় দিয়ে তাকে ঘায়েল করল।
বাঙালী কিছু করল না। জাস্ট একটা মরিচ ভেঙে বিড়ালের পশ্চাৎদেশে ডলে দিল। বিড়াল জ্বলুনীর ঠেলায় নিজেই মরিচ চেটে চেটে খেয়ে সাফ করতে লাগল।
গার্মেন্টসের কুপমন্ডুক বস, জিএম সাহেবরা, ঘাটি গেড়ে বসা পুরানোরা, ঘাটের মরা লোকেরা নতুন ইয়াং স্মার্ট শিক্ষিত জেনারেশনকে কোনো সুযোগ দিচ্ছেনা, কিছু ভাল করতে দিচ্ছে না, পরিবর্তন আনতে দিচ্ছে না, সিস্টেম বদলাতে বাঁধা দিচ্ছে, পদে পদে অনুৎসাহিত করছে, “নাক সিঁটকে বলছে-ওসব আমাদের গার্মেন্টসে হয় না”-এমন হাজারো ফ্রাস্ট্রেশন নিয়ে মনোঃকষ্টে ভুগছেন যেসব ইয়াং ট্যালেন্টেড গার্মেন্টস নিউ জেনারেশন, তারা দুঃখ পাবেন না, হতাশ হবেন না, পিছিয়ে যাবেন না।
খুব শিগ্গিরই ”গার্মেন্টস” তার নিজের অস্তিত্বের স্বার্থেই বিগত ৩৫ বছরে যেসব ভাল অভ্যাস রপ্ত করেনি, যার জন্য আপনারা কষ্টে ভোগেন, যার জন্য হাপিত্যেষ করেন, তার প্রত্যেকটা অতীব আনন্দের সাথে, অতীব উৎসাহের সাথে বাস্তবায়ন করবে। বিশ্বাস হল না?
খালি সুপার এক্সপেনসিভ ফায়ার ডোর আর স্প্রিঙ্কলার লাগানোর মচ্ছবটা লক্ষ্য করুন।
তাহলেই দু’য়ে দু’য়ে চার মিলাতে পারবেন। আমি যখন বছর দশেক আগে গার্মেন্টস জগতে আসি, তখন স্প্রিঙ্কলারের কথা বললে লোকে হাসত। আর আজ? হ্যা, উন্নয়ন হতে হবে সাসটেইনেবল এবং র্যাশনাল। চাপিয়ে দেয়া নয়।
উন্নয়ন হতে হবে ভিতর হতে। উন্নয়ন হতে হবে সবদিক হতে-স্ট্রাকচারাল, ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল এবং কালচারাল। এই শেষ দিকটা আপনাদের করতে হবে। আপনারা সেটার জন্য কতটা তৈরী এবং সক্ষম সেটাও ভাববেন আশা করি।
শুধু মালিক আর বুড়া জিএম সাহেবদের মিথ্যা দোষ দেবেন না। নিজেরা কতটা কমিটেড ও কনফিডেন্ট সেটাও মনে রাখবেন।
#motivation #inspiration #tactical #modernization #RMGsector #garment #psychologicalmanipulation #hypnotize