এইচআরকে ঈশ্বর পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানের মানব সন্তানদের যোগ্যতা, ভাগ্য ও মোটিভেশন উন্নয়নের ভিতর দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ হিসেবে তাদের গড়ে তুলতে, তাদের ভ্যালু এ্যাডিশনের উন্নয়ন ঘটাতে। মানে পুরোটাই ম্যাটেরিয়ালিস্টিক ও ফিজিক্যাল এক্সিসটেন্স নির্ভর।
বাদবাকি পৃথিবীতে এইচআরের স্ট্রেইনের কোনো মিউটেশন হয় নাই। তারা তাদের চরিত্র ঠিক রেখে কাজ করে যাচ্ছে। বঙ্গদেশে এইচআরের ব্যপক মিউটেশন হয়েছে করোনার মতো। আমরা খোদার দেয়া মিশন তো বাস্তবায়ন করেই যাচ্ছি।
পাশাপাশি মিউটেশন করে নিজেদের খোদকারীর আওতা বাড়িয়ে জগতের সকল মানুষের স্বর্গে যাবার রাস্তা খোলাশা করা, মানুষের নির্বানপ্রাপ্তির পথ প্রদর্শনসহ মানুষকে ঈশ্বরের পথে টেনে আনার আধ্যাত্মিক ও মহান নবুয়তি দায়ীত্বও নিজেদের ঘাড়ে নিয়ে নিয়েছি।
তার মানে শুধু ফিজিক্যালী এক্সিসটেড এইচআর ডেভেলপমেন্টই না, আমরা এখন ভার্চুয়াল ও স্পিরিচুয়াল ডেভেলপমেন্টের ব্যাটনও মওলানা সাহেবদের হাত হতে কেড়ে নিয়ে নিজেদের পোর্টফোলিওতে ঢুকিয়ে নিয়েছি। কাজের গ্রূপে কাজের আলাপের ভাত নেই, স্বর্গে যাবার সহজ তরিকার ওয়াজ বিক্রী হচ্ছে।
লিংকডইনে যাবেন? সেখানে মা বিপদতাড়িনীর মহিমা কিংবা স্বর্গীয় হুর কেনার টোটকা বিক্রীর ধুম পড়েছে বেশ। ভবিষ্যতে জনাব জাকির নায়েক কিংবা রামদেববাবুরা এইচআর গুরু হিসেবে উঠে আসতে পারেন কিংবা আমাদের এইচআর গুরুরা ইমাম মাহদীও হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারেন। জাকির নায়েক কিংবা মিজান সাবের আর ভাত নেই মনে হচ্ছে।
এমনিতে প্রতিবছর তো বঙ্গদেশে গড়ে ৩ জন করে ইমাম মাহদী পয়দা হন।
সত্যিকারের ইমাম মাহদী যেদিন আসবেন, সেদিন নাগাদ আশঙ্কা করছি, লাখখানেক মাহদী পৃথিবীতে ঘুরঘুর করবে লাঠি নিয়ে, কখন মাহদী আসে আর তাকে দৌড়ানি দেবে।
#interference #unwantedpost #religion #prophecy #HRaspreacher