অমুকের মুখ খারাপ,
আমার মুখ ছুটিও না,
তমুকের গালি শুনলে এবোরশান হয়ে যাবে-
এসব কথা তো বহু পুরোনো।
আমাদের সমাজে সঘোষিত পৌরুষত্ব’র লক্ষণ হল রাফ ও স্ল্যাঙে কথা বলা। কথার মধ্যে বাধ্যতামূলক আধাযৌন তবে চুড়ান্ত অশ্লীল কিছু খিস্তি খেউর ঢুকিয়ে কথা বলতে পারলে আমাদের বন্ধুমহলে কদর বাড়ে। তার হ্যাডমের প্রশংসা হয়।
এই কুঅভ্যাস এখন ঢুকে পড়েছে ভার্চুয়ালে।
ফেসবুক নামক উজবুক প্লাটফরমে তো তার ব্যবহার আকছার। কথায় কথায় লেখার মধ্যে আমাদের ছোটবেলায় যেসব ভাষা ব্যবহার করলে প্রচন্ড পিটুনি খেতাম, তার হরদম ব্যবহার দেখি।
কিছু বুদ্ধিমান আবার একটা কায়দা করে নিয়েছেন। স্ল্যাং ভাষাকে উল্টে লেখা। যা বলার বললেন, কিন্তু আবার কিছুই বললেন না। পাঠকও যা বোঝার বুঝে নিল।
আশার কথা হল, এই একটা ক্ষেত্রে আমাদের বঙ্গ মা জননীরাও সমানে সমান স্থান করে নিচ্ছেন। পুরুষপ্রধানতা, পুরুষের ডোমিনেশনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারাও আজকাল পুরুষের কাধে কাধ মিলিয়ে স্ল্যাংকে মহিমান্বিত করছেন। ওয়ালে, ফোরামে, সমাবেশে, আড্ডায় পুুরুষের সাথে সমান তেজে কুরুচীপূর্ন ও অশ্লীল আধাযৌন ও সুড়সুড়িমূলক ভাষায় কথা বলতে তারাও পারঙ্গমতা দেখাচ্ছেন।
এগিয়ে যাও বঙ্গদেশ। নারী পুরুষের ভেদাভেদ ঘুঁচে যাক। ভাষার ব্যবহার উন্মুক্ত হোক!!!!!!!
#SlangLanguage #ভাষাশৈলি