মনে কি পড়ে কখনো? তোমার পুরোনো অতীত?
বিস্মৃত ধুলোপড়া অতীত? অনাহুত, অনাকাঙ্খিত।
মনে পড়ে,
বহুকাল আগের এক অলস বিকেল,
পড়ন্ত দিনের আলোয় ধীরে চলা সময়ের বিকেল।
আর, বারান্দায়
এলো চুলে তরুণীর উদ্ভিন্ন রূপে
থমকে যাওয়া সময়ে থেমে যায় হাতের নকশি করা চিরুনী।
ক্ষণিক মজেছিল পথচলা বাউন্ডূলে মন। ক্ষণিকের রূপে প্রাণ উচাটন।
বাউন্ডূলে মন আর আনমনা মেয়ে।
মগ্ন চায়ের কাপে, নিজেই নিজেকে নিয়ে।
চায়ের কাপে ভাসমান মরা মাছিতে।
ভাত ঘুমের ফাঁকে।
যখন সবাই ব্যস্ত নিজস্ব ধরনে সাজানো জীবনে।
তখন সে বসে ছিল। দক্ষিণের ঝুল বারান্দায়।
স্যাঁতসেঁতে দেয়ালের পুরোনো বাড়িতে রোদ খেলে যায়।
খোলা পিঠের উদোম সৌন্দর্য ছড়িয়ে। একরাশ মুগ্ধতা জড়িয়ে।
শুধোনো হয়নি নাম। জানা হয়নি কিছুই।
তবু ক্ষণিকের সেই দেখা,
একটু ভাল লাগা। আঁচড় কেটেছিল তরুন মনে।
করে নিয়েছিল স্থান। গহীন। গোপন।
একজন আনমনা তরুনী। আরেকজন অচেনা তরুন।