মনে করুন, ২০১৭ সাল, আপনার একটি কারখানা আছে ১০ লাইনের যাতে ১০০০ মানুষ কাজ করে বছরে ১২ লাখ পিস পোষাক বানায় যার বার্ষিক বিক্রয়মূল্য ১২ কোটি টাকা।
এবার চলে যান ২০২৭ সালে মানে ১০ বছর পরে।
২০২৭ সালে আপনার সেই ১০ লাইনের একটি কারখানা আছে যাতে ১০০০ মানুষ কাজ করে বছরে ১২ লাখ পিস পোষাক বানায় যার বার্ষিক বিক্রয়মূল্য ১২ কোটি টাকা। এবার বলুন, আপনার কোম্পানীটি কি লাভ করছে নাকি লস?
মনে করুন, আপনি ব্যাংকে ১ লাখ টাকা ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি জমা রাখলেন ৫% মুনাফা রেটে যখন বার্ষিক ইনফ্লেশন রেট ৫.৫%। এবার ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারী আপনার কাছে কত টাকা আছে? আগের চেয়ে বেশি, সমান নাকি কম?
মনে করুন, ২০১২ সালে আপনার বার্ষিক বিক্রয় ছিল ১ কোটি টাকা, ২০১৩ সালে বার্ষিক বিক্রয় ২ কোটি টাকা যেখানে বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ১ কোটি, ২০১৪ সালে ৩ কোটি টাকা=বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ১ কোটি, ২০১৫ সালে তা হল ৩.২৫ কোটি টাকা=বিক্রি প্রবৃদ্ধি ০.২৫ কোটি , ২০১৬ সালে ৩.৪০ কোটি টাকা=বিক্রি প্রবৃদ্ধি ০.১৫ কোটি আর ২০১৭ সালে ৩.৪৫ কোটি টাকা=বিক্রি প্রবৃদ্ধি ০.০৫ কোটি।
এবার বলুন, ২০১২-২০১৭ বিচারে আপনার কোম্পানী কি রাইজ হচ্ছে নাকি ডাউন?
আমার তিনজন সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ২০১৭ সালের পৃথিবীতে, বাংলাদেশ নামক একটি দেশে বিদ্যমান বাস্তবতায়, একটি বড় কোম্পানীর হেড অব এইচআরের হেড অব এইচআর হবার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ফিচারটি কী হওয়া উচিৎ। ১ জন খুব কাছাকাছি উত্তর দিয়েছেন। উত্তরটা (আমার বিবেচনায়) হল:
তাকে একজন খুব ভাল ফাইন্যান্স এনালিষ্ট এবং যে বিজনেস তার কোম্পানী করে তার বিজনেস কনসেপ্ট সম্পর্কে থরো নলেজ রাখতে হবে। সেটা যদি না থাকে তবে তার সকল এইচআর থিংকিং রং, সকল স্ট্র্যাটেজি ফাইন্যান্সিয়ালি রং এবং সকল অপারেশনও তাই রং। ফলাফল?
কেন ভাল ফাইন্যান্স এনালিষ্ট এবং বিজনেস হওয়াটাকে এত ভাইটাল বলছি? কারন অচীরেই যেকোনো বড় বিজনেস ফার্মকে যেকোনো আসপেক্টে তীব্র চ্যালেঞ্জ ও প্রতিযোগীতার মুখোমুখি হতে হবে। সেই দিনে সুপার সফিষ্টিকেটেড এইচআর স্ট্র্যাটেজি না বানাতে পারলে এইচআর টিকবে না। আর এইচআর না টিকলে সে কোম্পানীর বাকি কোনো কিছুই না টিকবারই কথা।
#RMGsector #garment #marginalprofit #growth #deterioration #declining